কক্সবাজারে পাহাড়ধসে এ পর্যন্ত স্থানীয় পাঁচজন ও ১৪ রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে। কয়েকদিন ধরে ভারী বর্ষণ অব্যাহত আছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ও বাড়ির দেওয়াল ধসের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে তৎপরতা শুরু করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিস ইনতেসার নাফি বলেন, কয়েকদিন ধরে মুষলধারে এবং থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে অনেক স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটছে। কক্সবাজার শহরের কলাতলীর হাজীপাড়ায় বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে দুপুরের পর থেকে বিশেষ উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। ঝুঁকিতে থাকা লোকজনকে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার অনুরোধ করলেও অনেকে শুনতে চাচ্ছেন না। বুঝিয়ে ওনাদের সরানো হচ্ছে।