Apan Desh | আপন দেশ
সর্বজনীন পেনশনে পরিবর্তনসহ শরিয়াহভিত্তিক স্কিমের অনুমোদন

সর্বজনীন পেনশনে পরিবর্তনসহ শরিয়াহভিত্তিক স্কিমের অনুমোদন

সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় একাধিক পরিবর্তন আনা হয়েছে। সে সঙ্গে ইসলামিক স্কিম চালুর অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সচিবালয়ে সর্বজনীন পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান। তিনি জানান, পেনশনারের মৃত্যুর পর তার স্পাউসের পেনশন পাওয়ার বয়সসীমা পাঁচ বছর বাড়ানো হয়েছে। আগে ৭৫ বছর বয়স পর্যন্ত এ সুবিধা পাওয়া যেত। এখন তা বাড়িয়ে ৮০ বছর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সর্বজনীন পেনশন কর্তৃপক্ষের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান তিনি।

islami bank
Header Advertisement
umchltd
Shopno
Header Advertisement

অনলাইন জরিপ

বিরোধীদলের লংমার্চকে কেন্দ্র করে ছক কষছে আওয়ামী লীগ। এমন অভিযোগ রাশেদ খাঁনের। আপনিও কী তাই মনে করেন?

Header Advertisement
গাইবান্ধায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবার পেল ৭৬ লাখ টাকা

গাইবান্ধায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবার পেল ৭৬ লাখ টাকা

সড়ক দুর্ঘটনায় স্বজন হারানো পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার। গাইবান্ধায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪ জনের পরিবার এবং গুরুতর আহত দুই ব্যক্তিকে দেয়া হয়েছে মোট ৭৬ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা। নিহত প্রত্যেকের পরিবার পেয়েছে ৫ লাখ টাকা। গুরুতর আহত প্রত্যেককে দেয়া হয়েছে ৩ লাখ টাকা করে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর হাতে এ আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেয়া হয়। জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বর্জ্য প্ল্যান্টের নির্মাণ থমকে আছে, ৮ মাসের কাজ শেষ হয়নি সাড়ে ৪ বছরেও

বর্জ্য প্ল্যান্টের নির্মাণ থমকে আছে, ৮ মাসের কাজ শেষ হয়নি সাড়ে ৪ বছরেও

চুক্তি অনুযায়ী ৮ মাসের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘ সাড়ে চার বছরে আলোর মুখ দেখেনি টাঙ্গাইলের কালিহাতী পৌরসভায় নির্মাণাধীন সমন্বিত কঠিন ও মানব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট। যার নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা। এতে আবর্জনায় বিপন্ন হচ্ছে পরিবেশ। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের অবহেলা, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি আর আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ঝুলে আছে সম্ভাবনাময় ও পরিবেশবান্ধব এ প্রকল্প। এদিকে, পৌরসভার নির্দিষ্ট কোনো ডাম্পিং স্টেশন বা ময়লা ফেলার জায়গা না থাকায় চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নিরুপায় হয়ে তারা রাস্তার পাশে, ফসলি জমির কোনায় কিংবা উন্মুক্ত পুকুড়ে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলছেন। ফলে পুরো আবাসিক এলাকা এখন তীব্র দুর্গন্ধের শহরে পরিণত হয়েছে। ছড়িয়ে পড়ছে নানাবিধ পানিবাহিত ও বায়ুবাহিত রোগব্যাধি। 

Header Advertisement
Header Advertisement