ফারুক হোসেন। ছবি: ফেসবুক থেকে
জনপ্রিয় অভিনেতা ফারুক হোসেন আবারও আলোচনায় এসেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের বহু নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের কাছে পরিচিত পান তিনি। এ অভিনেতাকে এখন প্রায়ই ফেসবুকে দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি তিনি নিজের ফেসবুক পোস্টে অতীতের নানা স্মৃতি রসবোধের সঙ্গে তুলে ধরছেন।
মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) ‘যে লজ্জার কথা কখনও বলিনি’ শিরোনামে একটি পোস্টে শৈশবের একটি ঘটনার কথা শেয়ার করেন তিনি।
পোস্টে তিনি জানান, ঘটনাটি ১৯৬৭ সালের। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ছয় বছর। সে সময় তিনি নানা বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। নানা বাড়ির পেছনে ডিস্ট্রিক্ট বোর্ডের একটি কাঁচা রাস্তার পাশে কাজী বাড়ির কাজী সাহেব গ্রামের দরিদ্র মানুষদের কলাপাতায় খিচুড়ি খাওয়াচ্ছিলেন। বনেদি ও বিত্তশালী সে পরিবার প্রায় একশো মানুষকে বসিয়ে খিচুড়ি খাওয়াচ্ছিল।
ছোট্ট ফারুকও সেখানে গিয়ে সবার সঙ্গে বসে কলাপাতায় খিচুড়ি খেতে শুরু করেন। মাখামাখা খিচুড়ির স্বাদে তিনি মজে ছিলেন। হঠাৎ পেছন থেকে তার কান ধরে টেনে তোলেন তার নানা। পরিবারের মর্যাদার বিষয়টি ভেবে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন।
আরও পড়ুন <<>>মাদক মামলায় খালাস পেলেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ
ফারুক তখন নানাকে বলেন, নানা ভাই, কান ছাড়েন। আর একমুঠ আছে, খেয়ে যাই। তবে নানা আরও রেগে গিয়ে বলেন, তুই আমার ইজ্জতে কালি দিছস। তোরে কান ধইরা সারা গ্রাম চক্কর দিমু।
এরপরই নানার হাত থেকে কান ছাড়িয়ে দৌড়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান ছোট্ট ফারুক। আর নানা বাড়ি না গিয়ে সোজা চলে যান দাদা বাড়িতে, যা পাশের গ্রামেই ছিল।
পোস্টের শেষে অভিনেতা জানান, ছোটবেলার সে লজ্জার ঘটনাটি তার নানা কখনো কাউকে বলেননি। তবে এতদিন পর তিনি নিজেই লজ্জা ভুলে স্মৃতিটি সবার সঙ্গে ভাগ করে নিলেন।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































