ছবি: সংগৃহীত
বিনা উইকেটে ১০৩ রান থেকে পাকিস্তান সব উইকেট হারিয়ে ২৭৫ রানে অলআউট হয়ে যায়। দলের শেষ ৭টি উইকেট বাংলাদেশ মাত্র ৪৩ রানে তুলে নেয়। আগের ম্যাচে নাহিদ রানা একাই পাকিস্তানকে আটকাতে পারলেও আজ পুরো দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় টাইগাররা তাদের অলআউট করেছে।
দিনের সফল বোলার ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ এবং রিশাদ হোসেন। মিরাজ ২ উইকেট নিয়েছেন মাত্র ৩৪ রানের বিনিময়ে। রিশাদ হোসেন ৫৬ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন। পাকিস্তানের পক্ষে ফিফটি করেছেন মাজ সাদাকাত এবং সালমান আলী আগা।
আগের ম্যাচে পাকিস্তানকে ১১৪ রানে অলআউট করে ৮ উইকেটে জয় পায় বাংলাদেশ। আজ জিতলে সিরিজে এক ম্যাচ হাতে রেখে মিরাজরা জয় নিশ্চিত করবে। সিরিজ জিততে প্রয়োজন ২৭৫ রান।
মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে পাওয়ার প্লেতে তিন পেসার—তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা—মিলে প্রথম ওভারগুলো করেন। আগের ম্যাচে নাহিদ বল হাতে প্রথম ছয় বলেই পাঁচটি উইকেট পেয়েছিলেন। তবে আজ তাকে উইকেট পেতে চতুর্থ ওভারের অপেক্ষা করতে হয়েছে। ২০তম ওভারে মোস্তাফিজ শর্ট লেন্থ ডেলিভারিতে শামিল হুসাইনকে ক্যাচ আউট করেন।
পাওয়ার প্লের পর মেহেদী হাসান মিরাজ ৫ ছক্কা ও ৬ চারে ৭৫ রান করা সাদাকাতকে আউট করেন। ১৩ ওভারের মধ্যে পাকিস্তানের স্কোর ছিল ১০৩, যার মধ্যে সাহিবজাদা ফারহানের অবদান ২১। পরে ফারহানকে তাসকিন ৩১ রানে আউট করেন। শামিল ১২২ রানে ফেরেন।
আরও পড়ুন <<>> সিরিজ নিশ্চিতের ম্যাচে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ
৩ উইকেট হারানোর পর পাকিস্তান সামাল দেয় মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আগার ব্যাটে। তারা তৃতীয় উইকেটে ১০৯ রানের জুটি গড়েন। এরপর নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ।
সালমান ৬৪ রান করে অপ্রত্যাশিতভাবে আউট হন। ৩৯তম ওভারের চতুর্থ বলে রিজওয়ান মিরাজকে খেলেছিলেন, বল ননস্ট্রাইকের সালমানের কাছে গেলে মিরাজ রান আউট করেন। একই ওভারের শেষ বলে ফিফটি থেকে ৬ রান দূরে রিজওয়ানও আউট হন। অষ্টম ওভারে রিশাদ হোসেন হুসাইন তালাতের উইকেট নেন। একই ওভারে আবদুল সামান রানআউট হন।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































