Apan Desh | আপন দেশ

লেখক বৃত্তান্ত:

আফজাল বারী, আপন দেশ

আফজাল বারী, আপন দেশ

প্রধান সম্পাদক, ডেইলি আপন দেশ ডটকম

মোরশেদ আলমের ‘শরীয়াহ ভিত্তিক’ দুর্নীতি! ন্যাশনাল লাইফের শতকোটি লুট

মোরশেদ আলমের ‘শরীয়াহ ভিত্তিক’ দুর্নীতি! ন্যাশনাল লাইফের শতকোটি লুট

মোরশেদ আলম। লোকে চেনে ধনকুবের হিসেবে। গড়েছেন ব্যাংক, বীমা, মিডিয়া হাউসসহ বহু প্রতিষ্ঠান। হালের পতিত আর অতীতের অপ্রতিরোদ্ধ স্বৈরাচার শেখ হাসিনা আস্থাভাজন ছিলেন তিনি। ধন ঢেলেই টানা তিনবার এমপি হয়েছিলেন। ক্ষমতার তলোয়ারে ধরাকে সরাজ্ঞান করেছেন। তার নিয়ন্ত্রিত ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোং। সাধারণ মানুষের আমান খেয়ানত করেছেন অভিনব কৌশলে। লুটের টাকা জায়েজ করতে গঠন করেছিলেন শরীয়াহ কাউন্সিলও। আপন দেশ-এর অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসছে ওই চক্রের ‘শরীয়াহ ভিত্তিক’দুর্নীতি! শত কোটি টাকা লুটপাটের অকাট্য প্রমাণ-চিত্র।
নিবন্ধন ছাড়াই রাজপথে জামায়াত, আ.লীগ যাচ্ছে ইতিহাসে!

নিবন্ধন ছাড়াই রাজপথে জামায়াত, আ.লীগ যাচ্ছে ইতিহাসে!

দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। কালে কালে নানামুখী ভূমিকা রেখেছে। আলোচনা-সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছে অনেকবার। গত জুলাই-আগষ্ট গণঅভূত্থানে দলটির শীর্ষনেতা থেকে শুরু করে শেষ সারির নেতাকর্মীকে নিষিদ্ধ করেছে জনতা। রাজনীতির মাঠ ছেড়েছে আওয়ামী লীগ। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও বোদ্ধাদের ধারণা- এবার দলটি যাচ্ছে ইতিহাসের পাতায়। অন্যদিকে, আদালতের খাতায় এখনও নিষিদ্ধ জামায়াত প্রায় দেড়যুগ পর ফিরে পেয়েছে রাজনৈতিক প্রাণ। ২০১৩ সালে বাংলাদেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করে শেখ হাসিনা সরকারের উচ্চ আদালত। এর ১১ বছর পর সংগঠনটিকেই নিষিদ্ধই করে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকার। আর নিষিদ্ধের চার দিন পরই ওই সরকারের পতন ঘটেছে। গত ৫ আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের তোড়ে মন্ত্রীবর্গ নিয়ে শেখ হাসিনাকে দেশ ছাড়তে হয়েছে। এখন তাদের অবস্থান প্রতিবেশী ভারতে। নিজের নাম-বাবার নামও পরিবর্তন করছে শেখ হাসিনার স্বজনরা।
বেনামি প্রতিষ্ঠানের আড়ালে মোরশেদ আলমের শত শত কোটি টাকা পাচার

বেনামি প্রতিষ্ঠানের আড়ালে মোরশেদ আলমের শত শত কোটি টাকা পাচার

আওয়ামী লীগে সাবেক এমপি, বেঙ্গল গ্রুপের মালিক মো. মোরশেদ আলম। তার প্রতিষ্ঠানে প্রায় দুই যুগ ধরে উৎপাদন, আমদানি-রফতানিসহ যাবতীয় কার্যক্রমে ব্যবহার করা হচ্ছে অস্তিত্বহীন কথিত ‘বিদেশি’ নাগরিকদের। তাদের দেখানো হচ্ছে- প্রতিষ্ঠানটির ‘চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক’ এবং ‘পরিচালক’ হিসেবে। বোর্ড মিটিংয়ের রেজুলেশন, অফিসিয়াল রেকর্ডপত্র, কাঁচামাল আমদানি ও ফিনিশড গুড রফতানি, স্থানীয়বাজারে বিক্রি, এমনকি ব্যাংকের লেনদেনও অস্তিত্বহীন ব্যক্তিদের স্বাক্ষরেই! কে বা কারা এ স্বাক্ষর করছে, সেটি স্বচক্ষে দেখেননি প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারি। এমনকি যেসব ব্যাংকে লেনদেন হচ্ছে, তারাও কথিত বিদেশি নাগরিকদের সই-স্বাক্ষর নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি। এমন ভুতুড়ে প্রতিষ্ঠানটির নাম ‘হ্যাঙ্গার্স প্লাস (বাংলাদেশ) লিমিটেড’।
ওয়াকিদের স্মার্ট ক্যারিশমায় শীর্ষ খেলাপিরাও পেত সিআইবি ছাড়পত্র 

ওয়াকিদের স্মার্ট ক্যারিশমায় শীর্ষ খেলাপিরাও পেত সিআইবি ছাড়পত্র 

ব্যাংকের খাতের অনিয়ম, লোপাটের ভয়ঙ্কর চিত্র ফুটে উঠছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ একেকটি ঘটনার ভয়াবহতা আঁতকে উঠার মতো। আর্থিক খাতে অনিয়মের লাগাম ধরার কথা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের, কিন্তু ঘটেছে উল্টো। ভুয়া ছাড়পত্রের কারখানা হয়ে উঠেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। খেলাপি গ্রাহককে ‘নিয়মিত’ দেখানো হতো এখান থেকেই। এ ছাড়পত্র দেখিয়েই খেলাপি ধরার জাল ভেদ করে ‘ক্লিনম্যান’ চিহ্নিত হতো দেশের হাজার হাজারো ঋণখেলাপি ও জনপ্রতিনিধি। এছাড়াও ঋণ থাকার পরও ভুয়া কাগজে ঋণের নামে লাখ কোটি টাকা হরিলুট করেছে বেক্সিমকো গ্রুপ, এস আলম গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, তাইপে গ্রুপসহ বিভিন্ন গ্রুপ ও ব্যক্তি।