Apan Desh | আপন দেশ

শিশু মৃত্যু

গলা কেটে শিশু হত্যার মূল আসামি গ্রেফতার

গলা কেটে শিশু হত্যার মূল আসামি গ্রেফতার

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক এলাকা থেকে গলা কাটা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া শিশু কন্যা হত্যার ঘটনায় মূল আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিল্পাঞ্চল ও ডিবি) মো. রাসেল। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়। রোববার (০১ মার্চ) সীতাকুণ্ড পৌর সদরের ইকোপার্কের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে প্রথমে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

০৮:৪৬ পিএম, ৩ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার

শিশু সাজিদের বাঁচার আশা নেই, বন্ধ করা হয়েছে অক্সিজেন

শিশু সাজিদের বাঁচার আশা নেই, বন্ধ করা হয়েছে অক্সিজেন

রাজশাহীর তানোরে ৮ ইঞ্চি ব্যাসার্ধের সরু গর্ত দিয়ে মাটির গভীরে চলে যাওয়া শিশু সাজিদের বাঁচার আশা নেই। ৩৫ ফুটের পর মাটি জমে যাওয়ায় তার নিচে অক্সিজেন পাঠানোও সম্ভব নয়। তাই অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) উপজেলার কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে গভীর নলকূপের জন্য খনন করা ওই গর্তে পড়ে যায় সাজিদ। এরপর বেলা ২টা ৫ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। অভিযানে একে একে যোগ দেয় আটটি ইউনিট। অভিযানের ২৭ ঘণ্টা পর আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স বিভাগের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন, তারা ক্যামেরা নামিয়ে দেখেছি ৩০ ফুটের পর মাটি ও খড় জমে গেছে। তারা আসার আগেই স্থানীয়রা বাচ্চাটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। তখন এসব ঢুকে যায়। তাঁরা ধারণা করেছিলেন, ৩০ ফুটের পর শিশুটিকে পাওয়া যাবে। মাটির ৩৫ ফুট গভীর গর্তে ২ বছরের শিশু, উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ৩ ইউনিটমাটির ৩৫ ফুট গভীর গর্তে ২ বছরের শিশু, উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ৩ ইউনিট কিন্তু ৪২ ফুট পর্যন্ত মাটি খনন করে গিয়েও পাওয়া যায়নি। মাটি ও খড় আটকে থাকায় এ অবস্থায় অক্সিজেন পাঠিয়ে লাভ নেই। তাই অক্সিজেন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

০৮:৫৪ পিএম, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার

জুলাই আন্দোলনে ১৩ শতাংশ শিশু নিহত 

জুলাই আন্দোলনে ১৩ শতাংশ শিশু নিহত 

বাংলাদেশে গত বছরের জুলাই-অগাস্টে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনে ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১২-১৩ শতাংশ শিশু ছিল। অধিকাংশই নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হন। জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে, সহিংসতায় তাদের ৪৪ জন কর্মকর্তা নিহত হয়েছে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনী পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ চালায়। এতে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে। যা মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল।

০৪:০৯ পিএম, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ বুধবার

Advertisement
সর্বাধিক পঠিত
Advertisement