Apan Desh | আপন দেশ

শিশু মৃত্যু

হাম উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

হাম উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

হাম ও হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও আট জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে নিশ্চিত হামে একজন মারা গেছে এবং হাম উপসর্গে বাকি সাতজন মারা গেছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৪২১ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৩২ হাজার ২৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৪৩ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা চার হাজার ৬০৩ জন। ১৫ মার্চ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২১ হাজার ৪৩৪ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৭ হাজার ৯৫৫ জন।

০৩:৩০ পিএম, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ রোববার

হাম উপসর্গে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু

হাম উপসর্গে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এসময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ২৮৭ জন। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা) অধ্যাপক ডা. বে-নজীর আহমেদ বলেন, হাম প্রকৃপক্ষে একটি মারাত্মক ভাইরাল ডিজিজ। মায়াসলেস ভাইরাস নামের একটি ভাইরাস দ্বারা এটি ছড়ায়। টিকার মাধ্যমে এ ভাইরাসটি বহু বছর ধরে আমরা প্রতিরোধ করে আসছি। এবার একটু ব্যত্যয় ঘটতে দেখা গেল। যেখানে আগে হাম হতোই না, সেখানে এবার মহামারি আকারে দেখা গেল।

০৩:৪৬ পিএম, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার

হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু

হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু

দেশজুড়ে বাড়ছে হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। সংক্রমণের এ ঊর্ধ্বগতির মধ্যেই গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৪ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিলেন এবং বাকি ৩ জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৪ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৫৫৯ জনে। এর মধ্যে চার হাজার ২৩১ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে। এ পর্যন্ত সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মিলিয়ে ১৯ হাজার ৭০৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আর ১৬ হাজার ৫২৭ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৪২ জন মারা গেছেন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৯৮ জন।

০৪:২৮ পিএম, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার

হাম উপসর্গ নিয়ে ৪ জনের মৃত্যু

হাম উপসর্গ নিয়ে ৪ জনের মৃত্যু

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ১৯৭ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ২৩ হাজার ৬০৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৬৫ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা তিন হাজার ৪৪৩ জন। ১৫ মার্চ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫ হাজার ৩২৬ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১২ হাজার ৩৯৬ জন।

০৩:৫২ পিএম, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ রোববার

‘হামের চিকিৎসায় শিশু হাসপাতালের বরাদ্দ যথেষ্ট না’

‘হামের চিকিৎসায় শিশু হাসপাতালের বরাদ্দ যথেষ্ট না’

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, হামের চিকিৎসায় বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে সরকারি বরাদ্দ যথেষ্ট না। এখানে আরও গুরুত্ব দেয়া দরকার সরকারের। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এ হাসপাতালটা সরকারি না, এটা সংবিধিবদ্ধ একটা হাসপাতাল। সরকার আগে প্রতি বছর দিত ৩০ কোটি, এবার দিচ্ছে ২৮ কোটি। সে ২৮ কোটির মধ্যে এ পর্যন্ত তারা ফার্স্ট কোয়ার্টারে ৭ কোটি টাকা পেয়েছেন, বাকিটা হয়তো তারা পাবেন; কিন্তু এ দিয়ে হাসপাতাল চলে না। এখানে ৭০০টি শয্যা আছে, এর মধ্যে ২৫০ শয্যা হলো ফ্রি। বাকিগুলোতে রোগীদের সব খরচ দিয়ে থাকতে হয়। সেভাবে তারা চালাচ্ছেন এবং যেটুকু সম্ভব তাদের পক্ষে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।

০৮:০৫ পিএম, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার

হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম সন্দেহে মারা গেছেন আরও দুইজন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে এক হাজার ১১৫ জন সন্দেহজনক হামরোগী শনাক্ত হয়েছেন। ১৫ মার্চ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৪৬৭ জনে। একই সময়ে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগী শনাক্ত হয়েছেন ১২৭ জন। আর ১৫ মার্চ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত মোট নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ১৯২ জন।

০৪:৪২ পিএম, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার

হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই শিশু হামে এবং পাঁচ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। সোমবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭২৯ শিশু। নতুন করে হাম শনাক্ত হয়েছে ৮২ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১ হাজার ৩৭১ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই রয়েছে ৬১৫ জন। হাসপাতালে ভর্তি ৭২৯ জনের মধ্যে ২৭৪ জনই ঢাকা বিভাগের। সবচেয়ে কম রোগী ভর্তি হয়েছে রংপুর বিভাগে ১১ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ১৭ জন।

০৫:০৮ পিএম, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার

হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৬ শিশু এবং হামে মারা গেছে ৪ শিশু। রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফততের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, ১১ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে ১২ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে এ মৃত্যু ঘটে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১৫১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামে মারা গেছে ২৮ শিশু। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ২৬৮ শিশু। এসময়ে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৫০ জনের।

০৫:১০ পিএম, ১২ এপ্রিল ২০২৬ রোববার

ভুল চিকিৎসায় শিশুমৃত্যু, বন্ধ হলো হাসপাতাল

ভুল চিকিৎসায় শিশুমৃত্যু, বন্ধ হলো হাসপাতাল

কুমিল্লার লাকসামে ভুল চিকিৎসায় এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় ‘ইউনিটি ট্রমা অ্যান্ড জেনারেল হসপিটাল’-এর কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নাজিয়া বিনতে আলম। ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহবায়ক করা হয়েছে নাজিয়া বিনতে আলমকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অর্থোপেডিক কনসালটেন্ট সুমন কুমার দত্ত এবং কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালের এনেস্থিসিয়া কনসালটেন্ট আব্দুল্লাহ আল কাফি।

১১:১৭ পিএম, ১১ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার

বাড়ছে হামের প্রকোপ: ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর মৃত্যু

বাড়ছে হামের প্রকোপ: ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর মৃত্যু

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়তে থাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ১ হাজার ২৩৬ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, এ ১১ জনের মধ্যে একজনের মৃত্যু নিশ্চিতভাবে হামে হয়েছে। বাকি শিশুদের হামের উপসর্গ ছিল। মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে ২২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১২৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া এসময়ের মধ্যে ১ হাজার ৩৯৮ জন হামে আক্রান্ত হয়েছে। পাশাপাশি ৬ হাজার ৮৮৩ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে।

০৫:০৪ পিএম, ৭ এপ্রিল ২০২৬ মঙ্গলবার

২৪ ঘন্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু

২৪ ঘন্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু

দেশে হামের সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৪৭ জন। শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৪৭। এর মধ্যে নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা ৪২। একই সময়ে সন্দেহজনক মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৪।

০৭:৪৬ পিএম, ৩ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার

কুমিল্লায় হামে আক্রান্ত ৩ শিশুর মৃত্যু

কুমিল্লায় হামে আক্রান্ত ৩ শিশুর মৃত্যু

হামে রোগে আক্রান্ত হয়ে কুমিল্লার তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তারা ঢাকায় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলো। আরও ২১ শিশু বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর মোহাম্মদ বশির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে একজন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকার এবং দুজন তিতাস উপজেলার বাসিন্দা। সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর মোহাম্মদ বশির বলেন, হামে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় কুমিল্লার তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে তাদের বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। 

১০:০৬ পিএম, ৩০ মার্চ ২০২৬ সোমবার

রামেকে মৃত ২৯ শিশুর কারোরই হাম শনাক্ত হয়নি

রামেকে মৃত ২৯ শিশুর কারোরই হাম শনাক্ত হয়নি

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চলতি বছরে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে মাত্র একজনের শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হাম শনাক্ত হয়েছে। বাকিদের ক্ষেত্রে ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সাহিদা ইয়াসমিন এ তথ্য জানান। ডা. সাহিদা ইয়াসমিন বলেন, বর্তমানে হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৭০ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। এর মধ্যে ৩৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। মারা যাওয়া ৩০ শিশুর মধ্যে একজন পজিটিভ ছিল। বাকি ২৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় হাম ধরা পড়েনি, তবে তারা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য আলাদা কর্নার রাখা হয়েছে। সাধারণ শিশু ওয়ার্ডেও চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। রোগীদের পৃথকভাবে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

০৪:০২ পিএম, ৩০ মার্চ ২০২৬ সোমবার

শিশুকে হাম থেকে বাঁচাতে যা জানা জরুরি

শিশুকে হাম থেকে বাঁচাতে যা জানা জরুরি

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মারাত্মক সংক্রামক রোগ ‘হাম’ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রাজশাহী অঞ্চলে এর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, পাবনা, যশোর ও নাটোরেও রোগটি শনাক্ত হয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, চলতি মাসে হামে আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যেই ২১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হামের প্রকোপ সর্বাধিক জেলায়: ঢাকা, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, পাবনা, চট্টগ্রাম, যশোর ও নাটোর জেলায় সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তত্ত্বাবধানে মেডিকেল কলেজ ও সদর হাসপাতাল থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার ল্যাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে, যেখানে অধিকাংশ শিশুর শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে।

১১:৪১ পিএম, ২৯ মার্চ ২০২৬ রোববার

ভাসমান সেতু ভেঙে ৫ শিশুর মৃত্যু

ভাসমান সেতু ভেঙে ৫ শিশুর মৃত্যু

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ভাসমান সেতু ভেঙে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে পাঁচ শিশু। ঈদের দিন বিকেলে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। শনিবার (২১ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর দেওয়ানগঞ্জ থানার সামনে স্থাপিত একটি ভাসমান সেতু হঠাৎ ভেঙে পড়ে। এসময় সেতুর ওপর থাকা বহু মানুষ নদীতে পড়ে যান। নিহতরা হলো—ডাকাতিয়াপাড়া গ্রামের জয়নাল মিয়ার ১০ বছর বয়সী সন্তান মায়ামনি, ঝালুরচরের শের আলীর ৬ বছর বয়সী ছেলে আব্দুল মোতালেব ও ১২ বছর বয়সী মেয়ে খাদিজা, বেলতলির হাবিবুল্লাহর ১৪ বছর বয়সী ছেলে আবির হোসেন এবং বালু গ্রামের জয়নালের ছেলে হাফেজ মিহাদ (১৬)।

১১:১৮ পিএম, ২১ মার্চ ২০২৬ শনিবার

গলা কেটে শিশু হত্যার মূল আসামি গ্রেফতার

গলা কেটে শিশু হত্যার মূল আসামি গ্রেফতার

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক এলাকা থেকে গলা কাটা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া শিশু কন্যা হত্যার ঘটনায় মূল আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিল্পাঞ্চল ও ডিবি) মো. রাসেল। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়। রোববার (০১ মার্চ) সীতাকুণ্ড পৌর সদরের ইকোপার্কের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে প্রথমে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

০৮:৪৬ পিএম, ৩ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার

শিশু সাজিদের বাঁচার আশা নেই, বন্ধ করা হয়েছে অক্সিজেন

শিশু সাজিদের বাঁচার আশা নেই, বন্ধ করা হয়েছে অক্সিজেন

রাজশাহীর তানোরে ৮ ইঞ্চি ব্যাসার্ধের সরু গর্ত দিয়ে মাটির গভীরে চলে যাওয়া শিশু সাজিদের বাঁচার আশা নেই। ৩৫ ফুটের পর মাটি জমে যাওয়ায় তার নিচে অক্সিজেন পাঠানোও সম্ভব নয়। তাই অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) উপজেলার কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে গভীর নলকূপের জন্য খনন করা ওই গর্তে পড়ে যায় সাজিদ। এরপর বেলা ২টা ৫ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। অভিযানে একে একে যোগ দেয় আটটি ইউনিট। অভিযানের ২৭ ঘণ্টা পর আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স বিভাগের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন, তারা ক্যামেরা নামিয়ে দেখেছি ৩০ ফুটের পর মাটি ও খড় জমে গেছে। তারা আসার আগেই স্থানীয়রা বাচ্চাটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। তখন এসব ঢুকে যায়। তাঁরা ধারণা করেছিলেন, ৩০ ফুটের পর শিশুটিকে পাওয়া যাবে। মাটির ৩৫ ফুট গভীর গর্তে ২ বছরের শিশু, উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ৩ ইউনিটমাটির ৩৫ ফুট গভীর গর্তে ২ বছরের শিশু, উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ৩ ইউনিট কিন্তু ৪২ ফুট পর্যন্ত মাটি খনন করে গিয়েও পাওয়া যায়নি। মাটি ও খড় আটকে থাকায় এ অবস্থায় অক্সিজেন পাঠিয়ে লাভ নেই। তাই অক্সিজেন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

০৮:৫৪ পিএম, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার

Advertisement
সর্বাধিক পঠিত
Advertisement