ছবি: সংগৃহীত
প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট বিগ ব্যাশে লীগে খেলতে গিয়েই নজর কাড়লেন বাংলাদেশি লেগস্পিনার রিশাদ হোসেন। হোবার্ট হারিকেন্সের হয়ে অভিষেক মৌসুমেই দলের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হয়ে ওঠেন তিনি। আর সে পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন দলটির বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের সম্মান।
সবশেষ বিবিএল আসরে দুর্দান্ত বোলিং পারফরম্যান্সের মাধ্যমে নিজেকে আলাদা করে তুলেছেন ২৩ বছর বয়সী এ স্পিনার। পুরো টুর্নামেন্টে ১৫টি উইকেট শিকার করেন তিনি। তার বোলিং গড় ছিল ২০.৮৬ এবং ইকোনমি রেট ৭.৮২—যা টি-টোয়েন্টির মতো দ্রুতগতির ক্রিকেটে যথেষ্ট কার্যকর বলেই বিবেচিত।
বিশেষ করে চাপের মুহূর্তে দলের জন্য ব্রেকথ্রু এনে দেয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন রিশাদ। প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপে ধাক্কা দিতে তাকে কৌশলগতভাবে ব্যবহার করেছে হোবার্ট হারিকেন্স। পাওয়ারপ্লের পর আক্রমণে এনে ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণে রাখার পরিকল্পনা বেশ সফল হয়েছে তার ক্ষেত্রে।
টুর্নামেন্টে তার সেরা বোলিং পারফরম্যান্স ছিল ৩ উইকেটে ২৬ রান, যা দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। ধারাবাহিক এ পারফরম্যান্সই তাকে দলের ভরসার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আরও পড়ুন <<>> চার দশক পর বিশ্বকাপে ইরাক
উল্লেখ্য, আগের মৌসুমেও তাকে দলে ভেড়াতে চেয়েছিল হোবার্ট হারিকেন্স। তবে তখন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) সঙ্গে সূচি সাংঘর্ষিক হওয়ায় বিসিবি তাকে অস্ট্রেলিয়ায় খেলার জন্য অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেয়নি। ফলে সে সুযোগ হাতছাড়া হলেও এবারের আসরে সুযোগ পেয়ে তা পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছেন এ তরুণ লেগস্পিনার।
বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের এ পুরস্কার জিততে গিয়ে রিশাদ পেছনে ফেলেছেন তারই সতীর্থ অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের। তালিকায় ছিলেন নিখিল চৌধুরী, নাথান এলিস ও ক্রিস জর্ডানের মতো তারকা ক্রিকেটাররা।
অভিষেক মৌসুমেই এমন সাফল্য রিশাদের ক্যারিয়ারে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে বড় মঞ্চে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পথও প্রশস্ত করল এ অর্জন।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































