Apan Desh | আপন দেশ

ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরান যুদ্ধ শেষের দিকে: ট্রাম্প

ইরান যুদ্ধ শেষের দিকে: ট্রাম্প

ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ শেষের দিকে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এখনো চূড়ান্ত সমাধান না এলেও নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনা জোরালো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এতে দীর্ঘদিনের এ সংঘাতের অবসান নিয়ে নতুন আশার সৃষ্টি হয়েছে। খবর আনাদোলু। বুধবার (১৫ এপ্রিল) প্রচারিত হওয়ার কথা থাকা এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ ‘শেষের খুব কাছাকাছি’। ফক্স বিজনেসের উপস্থাপক মারিয়া বার্তিরোমোকে তিনি জানান, তার মতে যুদ্ধ প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। সাক্ষাৎকারের একটি অংশ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ শেয়ার করা হয়েছে। সেখানে ট্রাম্প বলেন, এখনই সবকিছু বন্ধ করে দিলে ইরানের পুনর্গঠনে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। তবে এখনো প্রক্রিয়া শেষ হয়নি। তিনি মনে করেন, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী।

০৯:৫৭ এএম, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার

নৌ অবরোধের সময় ঘনিয়ে এলেও দরজার আড়ালে ট্রাম্প

নৌ অবরোধের সময় ঘনিয়ে এলেও দরজার আড়ালে ট্রাম্প

ইরানের বন্দরগুলোতে সম্ভাব্য নৌ অবরোধ কার্যকর হওয়ার সময় ঘনিয়ে এলেও এখনো জনসম্মুখে আসেননি ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৩ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসের অস্বাভাবিক ব্যস্ততা থাকলেও তার সব কর্মসূচি ‘বন্ধ দরজার আড়ালে’ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। হোয়াইট হাউসের সূচি অনুযায়ী, ট্রাম্পের দিনের সব অনুষ্ঠানই গণমাধ্যমের জন্য উন্মুক্ত নয়। এমনকি উইলেম-আলেক্সান্ডার ও ম্যাক্সিমার সঙ্গে নির্ধারিত নৈশভোজও ব্যক্তিগত পরিসরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমার আগে সকাল থেকেই হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের উপস্থিতি দেখা গেলেও ট্রাম্পের প্রকাশ্যে আসার সম্ভাবনা খুবই কম বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন প্রশাসনের ঘোষণায় বলা হয়েছে, ইরানগামী বা সেখান থেকে ছেড়ে আসা সব জাহাজের ওপর ‘নিরপেক্ষভাবে’ অবরোধ কার্যকর করা হবে। এ বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানের জলসীমা ও উপকূলীয় পথ ব্যবহারকারী সব জাহাজই এ নীতির আওতায় পড়বে।

০৮:৪৬ পিএম, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার

ইরানে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা, কী বলছে হোয়াইট হাউস

ইরানে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা, কী বলছে হোয়াইট হাউস

হোয়াইট হাউস স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করার পরিকল্পনা নেই। একই সময়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন, না হয় বড় ধরনের সামরিক হামলার মুখে পড়তে হবে বলে হুমকি দিয়েছেন। মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) ওয়াশিংটনে এ বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়, যখন ট্রাম্প অত্যন্ত কঠোর ও ভয়ানক ভাষা ব্যবহার করেন। তিনি বলেন, ইরান যদি তার শর্ত মেনে না নেয়, তাহলে একটি পুরো সভ্যতা আজ রাতেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। টেক্সাসের ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান হোয়াকিন কাস্ত্রো দ্রুত ট্রাম্পকে অনুরোধ করেন, তিনি স্পষ্ট করে জানান যে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কোনো পরিকল্পনা নেই।

০১:২৪ এএম, ৮ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার

রাতেই একটি সভ্যতা শেষ হয়ে যেতে পারে: ট্রাম্প

রাতেই একটি সভ্যতা শেষ হয়ে যেতে পারে: ট্রাম্প

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চরম উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়ে নতুন এক হুঙ্কার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার জন্য তেহরানকে দেয়া সময়সীমা ঘনিয়ে আসার মুহূর্তে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, আজ রাতেই একটি পুরো সভ্যতা শেষ হয়ে যেতে পারে, যা আর কখনোই ফিরে আসবে না। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেছেন। তিনি লিখেছেন, আমি চাই না এমনটা ঘটুক, কিন্তু সম্ভবত এটিই হতে যাচ্ছে। তবে এখন যেহেতু আমাদের হাতে সম্পূর্ণ এবং পূর্ণাঙ্গ শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে, যেখানে ভিন্ন, আরও স্মার্ট এবং কম উগ্রবাদী চিন্তার মানুষের প্রাধান্য থাকবে, তাই হয়তো বৈপ্লবিক ও চমৎকার কিছু একটা ঘটতে পারে। 

০৬:৩৮ পিএম, ৭ এপ্রিল ২০২৬ মঙ্গলবার

ইরান যুদ্ধে শান্তি চুক্তির ইঙ্গিত

ইরান যুদ্ধে শান্তি চুক্তির ইঙ্গিত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই শান্তি চুক্তির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (০৫ এপ্রিল) ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সোমবারের মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছাতে কাজ করছে এবং চুক্তির বিষয়ে ‘ভালো সম্ভাবনা’ রয়েছে। তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে দেন, ইরান চুক্তিতে না এলে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে। এমনকি ইরানের তেলের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেয়ার মতো পদক্ষেপও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান তিনি।

১২:১২ এএম, ৬ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার

ট্রাম্পের হুমকিকে সিনেটরের সমর্থন

ট্রাম্পের হুমকিকে সিনেটরের সমর্থন

ইরানকে দেয়া পূর্বঘোষিত সময়সীমা আবারও মনে করিয়ে দিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত না করলে ইরানকে ‘ভয়াবহ পরিণতির’ মুখোমুখি হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। শনিবার (০৪ এপ্রিল) নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেয়া এক পোস্টে তিনি এ হুমকি দেন। ট্রাম্প লিখেছেন, মনে আছে, আমি ইরানকে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে অথবা হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার জন্য ১০ দিনের সময় দিয়েছিলাম? সময় শেষ হয়ে আসছে। এখন হাতে আছে মাত্র ৪৮ ঘণ্টা, এরপরই তাদের ওপর চরম ধ্বংসযজ্ঞ নেমে আসবে।

১২:৫৮ এএম, ৫ এপ্রিল ২০২৬ রোববার

৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি চায় ট্রাম্প

৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি চায় ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র—এমন দাবি করেছে ইরানি গণমাধ্যম। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানায়, বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) একটি তৃতীয় দেশের মাধ্যমে এ প্রস্তাব পাঠানো হয়। সংস্থাটি একটি সূত্রের বরাত দিয়ে দাবি করে, আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং সেখানে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর ওপর চাপের কারণেই যুক্তরাষ্ট্র এ উদ্যোগ নেয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান এ প্রস্তাবের কোনো লিখিত জবাব দেয়নি। বরং তারা সামরিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে। এদিকে যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়। বিশেষ করে কুয়েতের বুবিয়ান দ্বীপ-এ একটি মার্কিন সামরিক গুদামে হামলার খবর প্রকাশের পর এ প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়।

০৩:৫০ পিএম, ৪ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার

খামেনি হওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছি: ট্রাম্প

খামেনি হওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছি: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও এক চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব তাকে দেশটির পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল, যা তিনি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। ওয়াশিংটনে রিপাবলিকান পার্টির এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ইরানের পক্ষ থেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। আমার মনে হয়, দুনিয়ার কোনো শাসকই ইরানের প্রধান হতে চাইবেন না। ইরান আমাকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, আমরা আপনাকে আমাদের পরবর্তী খামেনি হিসেবে চাই। কিন্তু আমি বলেছি, এটা আমার দরকার নেই। তোমাদের ধন্যবাদ।

০৭:০১ পিএম, ২৬ মার্চ ২০২৬ বৃহস্পতিবার

শান্তি প্রস্তাবের ফল: হরমুজে নিরপেক্ষ জাহাজ চলাচলে সম্মতি ইরানের

শান্তি প্রস্তাবের ফল: হরমুজে নিরপেক্ষ জাহাজ চলাচলে সম্মতি ইরানের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধের অবসানে একটি শান্তি প্রস্তাবের কথা বলেছেন। এর পরই ইরান জানায়, তারা  হরমুজ প্রণালি দিয়ে ‘অ-শত্রুভাবাপন্ন’ বা নিরপেক্ষ তেলবাহী জাহাজ চলাচল করতে দেবে। ইরান-ইসরায়েলের পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মধ্যেই এ কূটনৈতিক উদ্যোগ সামনে আসে। ইরানি হামলায় ইসরায়েলে কয়েকজন আহত হয়েছেন। জবাবে ইসরায়েল একাধিক ফ্রন্টে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননের একটি অংশ দখলের অঙ্গীকার করেছে। শান্তি পরিকল্পনার খবরটি এসেছে ট্রাম্পের বিপরীতমুখী বক্তব্যের পর। গত কয়েক দিনে তিনি একদিকে ইরানকে ধ্বংসের হুমকি দিয়েছেন। আবার অন্যদিকে যুদ্ধ শেষ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে ইরান এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এ আলোচনা নিশ্চিত করেনি।

০১:৪৭ পিএম, ২৫ মার্চ ২০২৬ বুধবার

ন্যাটো মিত্রদের ‘কাপুরুষ’ বললেন ট্রাম্প

ন্যাটো মিত্রদের ‘কাপুরুষ’ বললেন ট্রাম্প

ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ন্যাটো মিত্রদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধে সরাসরি অংশ না নেয়া এবং হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভূমিকা না রাখার অভিযোগ তুলে তাদের ‘কাপুরুষ’ বলে মন্তব্য করেন তিনি। শুক্রবার (২০ মার্চ) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া ন্যাটো কার্যত দুর্বল হয়ে পড়েছে। তার দাবি, পারমাণবিক সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ইরানকে মোকাবিলায় জোটের সদস্যরা সামনে আসেনি। তিনি অভিযোগ করেন, যুদ্ধের সময় ঝুঁকি নিতে অনীহা দেখালেও এখন তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে ন্যাটো দেশগুলো। অথচ হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

০১:৪৪ এএম, ২১ মার্চ ২০২৬ শনিবার

এবার ন্যাটোকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

এবার ন্যাটোকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

হরমুজ প্রণালিতে সামরিক অভিযানে যোগ না দেয়ায় পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সিদ্ধান্তকে ‘অত্যন্ত বোকামি’ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) হোয়াইট হাউসে দেয়া এক বক্তব্যে এ নিয়ে হুঁশিয়ারি ও  ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালিতে সৈন্য পাঠানোর আহবানে মিত্ররা সাড়া দেয়নি, যা তার কাছে বিস্ময়কর। যুক্তরাষ্ট্র অন্যদের রক্ষা করে, কিন্তু প্রয়োজনের সময় তারা পাশে দাঁড়ায় না। তিনি বলেন, সামরিকভাবে বড় সাফল্য পাওয়ায় এখন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাটোর সহায়তার প্রয়োজন নেই এবং ভবিষ্যতেও তা প্রত্যাশা করে না।

১১:১৮ পিএম, ১৭ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার

এবার চীনের সহায়তা চান ট্রাম্প

এবার চীনের সহায়তা চান ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করতে চীনের সহায়তা চেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাণিজ্যবিরোধ মেটাতে চীনে তার পরিকল্পিত সফরের আগে এ দাবি তুলেছেন তিনি। এমনকি চীন সহযোগিতা না করলে সফর স্থগিত করার ইঙ্গিতও দিয়েছেন। বেইজিং সফরের দুই সপ্তাহ আগে আলোচনায় নতুন এ শর্ত জুড়ে দেন ট্রাম্প। যদিও সফরের মূল উদ্দেশ্য চীন–মার্কিন গুরুত্বপূর্ণ বিরোধগুলো মীমাংসা করা। তবে বর্তমানে হরমুজ প্রণালির বিষয়টি অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, চীনের পক্ষে ট্রাম্পের এ দাবিতে নতি স্বীকারের সম্ভাবনা খুবই কম। ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়ায় বিশ্বে তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ কার্যত বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এতে জ্বালানির দাম দ্রুত বাড়ছে এবং বড় ধরনের জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে তা বিশ্ব অর্থনীতিকেও বিপর্যস্ত করতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ব্রিটেনসহ বিভিন্ন দেশকে একযোগে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে চীনের ওপরও বাড়তি চাপ প্রয়োগ করছেন তিনি।

১০:৪০ পিএম, ১৬ মার্চ ২০২৬ সোমবার

যুদ্ধের ময়দানে ট্রাম্পকে একা ফেলে চলে গেল ন্যাটো

যুদ্ধের ময়দানে ট্রাম্পকে একা ফেলে চলে গেল ন্যাটো

ইরানে সামরিক আগ্রাসন শুরু করার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ডুবোচরে আটকা পড়েছেন। তেহরান যুদ্ধ থেকে নমনীয় হচ্ছে না, এবং আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির দেশ শেষ পর্যন্ত লড়ে যেতে চাইছে। এমতাবস্থায় ট্রাম্প মিত্র দেশগুলোর কাছে সাহায্য চাচ্ছেন, কিন্তু কেউ ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে যেতে আগ্রহী নয়। এমনকি পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোও মার্কিন আহবানে সাড়া দিচ্ছে না। ট্রাম্প বিশেষভাবে ইরানের নিয়ন্ত্রণাধীন হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করতে ন্যাটো মিত্র রাষ্ট্রগুলোর সহায়তা চেয়েছিলেন। কিন্তু একে একে সবাই তার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রীও হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার ক্ষেত্রে ন্যাটোর ভূমিকা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।

০৭:১৩ পিএম, ১৬ মার্চ ২০২৬ সোমবার

হরমুজ খোলা রাখতে যেসব দেশ যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে ট্রাম্প

হরমুজ খোলা রাখতে যেসব দেশ যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালি খোলা ও নিরাপদ রাখতে বিভিন্ন দেশ সেখানে যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, খুব শিগগিরই যেকোনো উপায়ে হরমুজ প্রণালিকে খোলা, নিরাপদ ও স্বাধীন রাখা হবে। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ এ নৌপথে যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে পারে। এর উদ্দেশ্য হলো, যাতে ইরান এ প্রণালিকে আর হুমকি হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে। ট্রাম্প বলেন, এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক বোমা হামলা চালাবে এবং ইরানের নৌকা ও জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে ডুবিয়ে দেবে।

১১:২০ পিএম, ১৪ মার্চ ২০২৬ শনিবার

পুতিন হয়তো ইরানকে সহযোগিতা করছেন: ট্রাম্প

পুতিন হয়তো ইরানকে সহযোগিতা করছেন: ট্রাম্প

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন হয়তো ইরানকে সহযোগিতা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যে দেখা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকা মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, বিমান ও অন্যান্য সামরিক সম্পদে হামলা চালাতে তেহরানকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছে রাশিয়া। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প পুতিনের সঙ্গে কথা বলেন। ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আমি মনে করি তিনি (পুতিন) তাদের কিছুটা সাহায্য করছেন। হ্যাঁ, আমার তা-ই ধারণা। শুক্রবার (১৩ মার্চ) পূর্ণাঙ্গভাবে প্রচার হতে যাওয়া ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও বলেছেন, পুতিন সম্ভবত ভাবছেন আমরা ইউক্রেনকে সাহায্য করছি।

০৭:৩৪ পিএম, ১৩ মার্চ ২০২৬ শুক্রবার

Advertisement
সর্বাধিক পঠিত
Advertisement