Apan Desh | আপন দেশ

ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের জরুরি বৈঠক

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের জরুরি বৈঠক

ইরানকে ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনা ও কূটনৈতিক অচলাবস্থার প্রেক্ষাপটে জরুরি বৈঠকে বসছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে এ সংকটকালীন বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনার অগ্রগতি, হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচল পুনরায় চালুর প্রচেষ্টা এবং সম্ভাব্য পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হবে। বারাক রাভিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, আলোচনায় বর্তমান অচলাবস্থা ও বিকল্প কৌশলগুলো পর্যালোচনা করা হবে।

০৭:২০ পিএম, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার

এবার ‘অভদ্র’ হওয়ার হুঙ্কার ট্রাম্পের

এবার ‘অভদ্র’ হওয়ার হুঙ্কার ট্রাম্পের

মার্কিন নৌ অবরোধের জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালীর অবরোধ অব্যাহত রাখায় তেহরানকে আবারও হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরান যদি এবারের ‘অত্যন্ত ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত চুক্তি’ গ্রহণ না করে, তাহলে আর ‘ভদ্রলোক’ থাকা হবে না।রোববার (১৯ এপ্রিল) এ হুমকি দেন। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্যানুসারে, সোমবার (২০ এপ্রিল) পাকিস্তানে মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের আবারও বৈঠক করার কথা রয়েছে। ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেয়া একটি পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইরান গতকাল হরমুজ প্রণালীতে গুলি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা আমাদের যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্পূর্ণ লঙ্ঘন। এর মধ্যে একটি ফরাসি জাহাজ এবং যুক্তরাজ্যের একটি মালবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করেও গুলি চালানো হয়েছে। এটা ঠিক হয়নি, তাই না? আমার প্রতিনিধিরা পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যাচ্ছেন আলোচনার জন্য, তারা আগামীকাল সন্ধ্যায় সেখানে পৌঁছাবেন।

০৮:১৭ পিএম, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ রোববার

হোয়াইট হাউসে জরুরি বৈঠকে ট্রাম্প

হোয়াইট হাউসে জরুরি বৈঠকে ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালিতে নতুন করে তৈরি হওয়া সংকট এবং ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনা পর্যালোচনার জন্য হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর মাত্র তিন দিন বাকি থাকতে এ অস্থিরতা দেখা দিলো। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এ খবর জানিয়েছে। দুই মার্কিন কর্মকর্তার তথ্যানুসারে, মার্কিন সময় শনিবার সকালে হোয়াইট হাউজের এ বৈঠকে পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, যুদ্ধ শেষ করার একটি চুক্তি এক বা দুই দিনের মধ্যে হতে পারে। তার এ আশাবাদের ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই ইরান হরমুজ প্রণালি পুনরায় বন্ধের ঘোষণা দেয় এবং জলপথটিতে চলাচলকারী বেশ কয়েকটি জাহাজে হামলা চালায়।

০৬:৩৯ পিএম, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ রোববার

‘হরমুজ বন্ধ করে ইরান একটু বেশি চালাকি করেছে’

‘হরমুজ বন্ধ করে ইরান একটু বেশি চালাকি করেছে’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় বন্ধ করে দিয়ে ইরান ‘একটু বেশি চালাকি’ করেছে। তবে ওয়াশিংটন তাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে এবং দিনের শেষ নাগাদ এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসে এক ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প বলেন, আজ প্রণালিটি বন্ধ থাকা সত্ত্বেও ইরানের সঙ্গে সংলাপ ‘বেশ ভালোভাবেই এগোচ্ছে’। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলছি। দিনের শেষে আমাদের কাছে এ বিষয়ে কিছু তথ্য থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথ বন্ধ করার ইরানি সিদ্ধান্তের বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, তারা ‘একটু বেশি চালাকি’ করেছে।

১১:২৫ পিএম, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার

ইরান যুদ্ধ শেষের দিকে: ট্রাম্প

ইরান যুদ্ধ শেষের দিকে: ট্রাম্প

ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ শেষের দিকে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এখনো চূড়ান্ত সমাধান না এলেও নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনা জোরালো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এতে দীর্ঘদিনের এ সংঘাতের অবসান নিয়ে নতুন আশার সৃষ্টি হয়েছে। খবর আনাদোলু। বুধবার (১৫ এপ্রিল) প্রচারিত হওয়ার কথা থাকা এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ ‘শেষের খুব কাছাকাছি’। ফক্স বিজনেসের উপস্থাপক মারিয়া বার্তিরোমোকে তিনি জানান, তার মতে যুদ্ধ প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। সাক্ষাৎকারের একটি অংশ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ শেয়ার করা হয়েছে। সেখানে ট্রাম্প বলেন, এখনই সবকিছু বন্ধ করে দিলে ইরানের পুনর্গঠনে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। তবে এখনো প্রক্রিয়া শেষ হয়নি। তিনি মনে করেন, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী।

০৯:৫৭ এএম, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার

নৌ অবরোধের সময় ঘনিয়ে এলেও দরজার আড়ালে ট্রাম্প

নৌ অবরোধের সময় ঘনিয়ে এলেও দরজার আড়ালে ট্রাম্প

ইরানের বন্দরগুলোতে সম্ভাব্য নৌ অবরোধ কার্যকর হওয়ার সময় ঘনিয়ে এলেও এখনো জনসম্মুখে আসেননি ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৩ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসের অস্বাভাবিক ব্যস্ততা থাকলেও তার সব কর্মসূচি ‘বন্ধ দরজার আড়ালে’ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। হোয়াইট হাউসের সূচি অনুযায়ী, ট্রাম্পের দিনের সব অনুষ্ঠানই গণমাধ্যমের জন্য উন্মুক্ত নয়। এমনকি উইলেম-আলেক্সান্ডার ও ম্যাক্সিমার সঙ্গে নির্ধারিত নৈশভোজও ব্যক্তিগত পরিসরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমার আগে সকাল থেকেই হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের উপস্থিতি দেখা গেলেও ট্রাম্পের প্রকাশ্যে আসার সম্ভাবনা খুবই কম বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন প্রশাসনের ঘোষণায় বলা হয়েছে, ইরানগামী বা সেখান থেকে ছেড়ে আসা সব জাহাজের ওপর ‘নিরপেক্ষভাবে’ অবরোধ কার্যকর করা হবে। এ বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানের জলসীমা ও উপকূলীয় পথ ব্যবহারকারী সব জাহাজই এ নীতির আওতায় পড়বে।

০৮:৪৬ পিএম, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার

ইরানে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা, কী বলছে হোয়াইট হাউস

ইরানে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা, কী বলছে হোয়াইট হাউস

হোয়াইট হাউস স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করার পরিকল্পনা নেই। একই সময়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন, না হয় বড় ধরনের সামরিক হামলার মুখে পড়তে হবে বলে হুমকি দিয়েছেন। মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) ওয়াশিংটনে এ বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়, যখন ট্রাম্প অত্যন্ত কঠোর ও ভয়ানক ভাষা ব্যবহার করেন। তিনি বলেন, ইরান যদি তার শর্ত মেনে না নেয়, তাহলে একটি পুরো সভ্যতা আজ রাতেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। টেক্সাসের ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান হোয়াকিন কাস্ত্রো দ্রুত ট্রাম্পকে অনুরোধ করেন, তিনি স্পষ্ট করে জানান যে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কোনো পরিকল্পনা নেই।

০১:২৪ এএম, ৮ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার

রাতেই একটি সভ্যতা শেষ হয়ে যেতে পারে: ট্রাম্প

রাতেই একটি সভ্যতা শেষ হয়ে যেতে পারে: ট্রাম্প

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চরম উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়ে নতুন এক হুঙ্কার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার জন্য তেহরানকে দেয়া সময়সীমা ঘনিয়ে আসার মুহূর্তে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, আজ রাতেই একটি পুরো সভ্যতা শেষ হয়ে যেতে পারে, যা আর কখনোই ফিরে আসবে না। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেছেন। তিনি লিখেছেন, আমি চাই না এমনটা ঘটুক, কিন্তু সম্ভবত এটিই হতে যাচ্ছে। তবে এখন যেহেতু আমাদের হাতে সম্পূর্ণ এবং পূর্ণাঙ্গ শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে, যেখানে ভিন্ন, আরও স্মার্ট এবং কম উগ্রবাদী চিন্তার মানুষের প্রাধান্য থাকবে, তাই হয়তো বৈপ্লবিক ও চমৎকার কিছু একটা ঘটতে পারে। 

০৬:৩৮ পিএম, ৭ এপ্রিল ২০২৬ মঙ্গলবার

ইরান যুদ্ধে শান্তি চুক্তির ইঙ্গিত

ইরান যুদ্ধে শান্তি চুক্তির ইঙ্গিত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই শান্তি চুক্তির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (০৫ এপ্রিল) ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সোমবারের মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছাতে কাজ করছে এবং চুক্তির বিষয়ে ‘ভালো সম্ভাবনা’ রয়েছে। তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে দেন, ইরান চুক্তিতে না এলে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে। এমনকি ইরানের তেলের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেয়ার মতো পদক্ষেপও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান তিনি।

১২:১২ এএম, ৬ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার

ট্রাম্পের হুমকিকে সিনেটরের সমর্থন

ট্রাম্পের হুমকিকে সিনেটরের সমর্থন

ইরানকে দেয়া পূর্বঘোষিত সময়সীমা আবারও মনে করিয়ে দিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত না করলে ইরানকে ‘ভয়াবহ পরিণতির’ মুখোমুখি হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। শনিবার (০৪ এপ্রিল) নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেয়া এক পোস্টে তিনি এ হুমকি দেন। ট্রাম্প লিখেছেন, মনে আছে, আমি ইরানকে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে অথবা হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার জন্য ১০ দিনের সময় দিয়েছিলাম? সময় শেষ হয়ে আসছে। এখন হাতে আছে মাত্র ৪৮ ঘণ্টা, এরপরই তাদের ওপর চরম ধ্বংসযজ্ঞ নেমে আসবে।

১২:৫৮ এএম, ৫ এপ্রিল ২০২৬ রোববার

৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি চায় ট্রাম্প

৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি চায় ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র—এমন দাবি করেছে ইরানি গণমাধ্যম। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানায়, বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) একটি তৃতীয় দেশের মাধ্যমে এ প্রস্তাব পাঠানো হয়। সংস্থাটি একটি সূত্রের বরাত দিয়ে দাবি করে, আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং সেখানে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর ওপর চাপের কারণেই যুক্তরাষ্ট্র এ উদ্যোগ নেয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান এ প্রস্তাবের কোনো লিখিত জবাব দেয়নি। বরং তারা সামরিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে। এদিকে যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়। বিশেষ করে কুয়েতের বুবিয়ান দ্বীপ-এ একটি মার্কিন সামরিক গুদামে হামলার খবর প্রকাশের পর এ প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়।

০৩:৫০ পিএম, ৪ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার

Advertisement
সর্বাধিক পঠিত
Advertisement