ছবি: আপন দেশ
মেয়াদের শেষ দিকে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় ও চুক্তিকে অন্তর্বর্তী সরকারের চলমান প্রক্রিয়ার অংশ বলে জানিয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান।
সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
চলমান এ প্রক্রিয়া পরবর্তী সরকার চালিয়ে নেবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ড. খলিল বলেন, পরবর্তী সরকার এগুলো অব্যাহত রাখবে কি না, তা অনুমাননির্ভর বিষয়।
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে সম্প্রতি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত করা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সব দেশে উড়োজাহাজ প্রতিষ্ঠান নেই।
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়। সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার ছিল রাষ্ট্রীয় কাঠামো সংস্কার, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার ও জাতীয় নির্বাচন আয়োজন। তবে অগ্রাধিকারের বাইরে গিয়ে প্রতিরক্ষা খাতে বেশি মনোযোগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
আরও পড়ুন <<>> চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে জাতীয় স্বার্থবিরোধী কোনো কাজ করবে না সরকার
সরকার দায়িত্ব নেয়ার পরে একাধিক প্রতিরক্ষা প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে—চীনের সঙ্গে জিটুজি চুক্তিতে ড্রোন কারখানা স্থাপন, পাকিস্তান থেকে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান ক্রয়, চীন থেকে জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান সংগ্রহ, ইউরোপীয় কনসোর্টিয়াম থেকে ইউরোফাইটার টাইফুন কেনার উদ্যোগ।
এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সাবমেরিন, তুরস্ক থেকে টি-১২৯ অ্যাটাক হেলিকপ্টার এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্ল্যাক হক মাল্টিরোল হেলিকপ্টার সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।
নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ বানৌজা খালিদ বিন ওয়ালিদের সক্ষমতা বাড়াতে প্রায় ৬৫০ কোটি টাকার প্রকল্পও গ্রহণ করা হয়েছে।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































