Apan Desh | আপন দেশ

ঢাকার কোন এলাকা নিয়ে কোন আসন

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১৪:১৪, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬

ঢাকার কোন এলাকা নিয়ে কোন আসন

ছবি: আপন দেশ

জাতীয় রাজনীতিতে ঢাকা জেলা সবসময় গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত। এখানে প্রতিটি সংসদীয় আসন শুধু রাজনৈতিক দিক থেকেই নয়, জনসংখ্যা, অর্থনীতি ও প্রশাসনিক গুরুত্বের কারণে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ সীমানা অনুযায়ী, ঢাকা জেলা ও মহানগর মিলিয়ে বর্তমানে ২০টি জাতীয় সংসদীয় আসন রয়েছে। এ আসনগুলো গঠিত হয়েছে ঢাকা মহানগরের উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবং পার্শ্ববর্তী উপজেলা নিয়ে।

জনসংখ্যার ঘনত্ব ও নগর সম্প্রসারণের কারণে একেক আসনের এলাকা ভৌগোলিকভাবে ভিন্ন। ঢাকার দুটি আসন পুরোপুরি জেলার বাইরে, উপজেলা কেন্দ্রিক।

ঢাকা জেলার আসনগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ:

ঢাকা–১: দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা, রাজধানীর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল।
ঢাকা–২: কেরানীগঞ্জ উপজেলা, বুড়িগঙ্গা নদীর দক্ষিণ তীরবর্তী, প্রশাসনিকভাবে আলাদা উপজেলা।
ঢাকা–৩: কেরানীগঞ্জ উপজেলার ৫ ইউনিয়ন (আগানগর, কন্ডা, সুবদ্যা, তেঘরিয়া, বিনজিরা)।
ঢাকা–৪: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৯ ওয়ার্ড ও শ্যামপুর থানা।
ঢাকা–৫: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১২ ওয়ার্ড (যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা)।

পুরান ঢাকা ও দক্ষিণ ঢাকার আসনগুলো:
ঢাকা–৬: পুরান ঢাকার অংশবিশেষ, ঐতিহ্যবাহী আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা।
ঢাকা–৭: লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর এলাকা।

আরও পড়ুন <<>> কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র

ঢাকা–৮: ধানমন্ডি, নিউ মার্কেট ও আশপাশের আবাসিক-বাণিজ্যিক এলাকা।
ঢাকা–৯: মতিঝিল ও পল্টন কেন্দ্রিক, দেশের প্রধান বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র।

মধ্য ঢাকার আবাসিক ও শিল্পাঞ্চল:
ঢাকা–১০: ধানমন্ডি অংশ ও আশপাশের এলাকা।
ঢাকা–১১: তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও সংলগ্ন আবাসিক এলাকা।
ঢাকা–১২: তেজগাঁও, শের-ই-বাংলা নগর, কাওরান বাজার এলাকা।
ঢাকা–১৩: মোহাম্মদপুর ও পার্শ্ববর্তী এলাকা।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আসন:
ঢাকা–১৪, ১৫, ১৬: মিরপুর ও আশপাশের আবাসিক এলাকা।
ঢাকা–১৭: গুলশান, বনানী, বারিধারা, মহাখালী ও ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট।
ঢাকা–১৮: উত্তরা, বিমানবন্দর, তুরাগ ও উত্তরের কিছু এলাকা।
ঢাকা–১৯: সাভার ও আশুলিয়া, দেশের বড় শিল্পাঞ্চল। পোশাকশিল্প ও শ্রমজীবী মানুষ এখানে বেশি।
ঢাকা–২০: ধামরাই উপজেলা, ঢাকার পশ্চিম প্রান্তের গ্রামীণ এলাকা।

নির্বাচনি আসনের সীমানা অনুযায়ী ভোটার তালিকা, সংসদ সদস্যের প্রতিনিধিত্ব, উন্নয়ন প্রকল্প ও প্রশাসনিক পরিকল্পনা নির্ধারিত হয়। রাজধানীতে জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় নির্বাচন কমিশন নিয়মিত আসনের সীমানা পুনর্গঠন করে।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, ঢাকার আসনগুলোর সঠিক ভৌগোলিক ধারণা থাকলে ভোটারদের সচেতনতা বাড়ে এবং রাজনৈতিক জবাবদিহি নিশ্চিত হয়।

আপন দেশ/এসএস

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়