ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে দুইদিনে অন্তত ১৯৩ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক, নিরাপত্তাকর্মী এবং হামলাকারীরা রয়েছেন। দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের বরাতে জানা গেছে এ তথ্য।
বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী সরফরাজ বুগতি জানান, হামলায় বেসামরিক নাগরিক নিহতের সংখ্যা ৩১, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছে ১৭ জন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছে অন্তত ১৪৫ জন বিচ্ছিন্নতাবাদী।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বেলুচিস্তানের রাজধানী কোয়েটা, গাওদার, মাসতাং এবং নোশকি জেলার নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভ্রিন্ন স্থাপনায় বন্দুক ও বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ৪৮ জন নিহত হন।
পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী তালাল চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেছেন, বন্দুক হামলার সময় হামলাকারীদের সবাই সাধারণ বেসামরিক পোশাক পরিহিত ছিল। এ ছদ্মবেশেই তারা জনসমাগমপূর্ণ স্থানগুলোতে মিশে গিয়েছিল।
বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) বিদ্রোহী গোষ্ঠী এর আগে জানিয়েছিল হামলার পেছনে আছে তারাই। কয়েক ডজন সেনা নিহত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
আরও পড়ুন<<>>ইসরায়েলে গিয়ে মোদীর নাচগান, দিল্লির অস্বীকার
এ হামলার ঘটনাটি বেলুচিস্তানে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলার অন্যতম। পাকিস্তান সরকার বেলুচিস্তানে কয়েক দশক ধরে জাতিগত বিদ্রোহী তৎপরতা রুখতে লড়ে আসছে।
পাকিস্তান বিএলএ- কে সমর্থন দেয়ার অভিযোগ করেছে ভারতের বিরুদ্ধে। তবে ভারত এমন অভিযোগ বারবারই অস্বীকার করে আসছে।
সেনাবাহিনী জানিয়েছে, প্রাদেশিক রাজধানী কোয়েটা ও অন্যান্য স্থানের আশেপাশের এলাকায় কয়েক দফা হামলায় বেসামরিক নাগরিকদেরকেই নিশানা করা হয়েছিল।
১২ টি শহরে এবং প্রদেশজুড়ে বিভিন্ন শহরে গ্রেনেড ও বন্দুক হামলার নিশানা ছিল পুলিশ ও আধাসামরিক স্থাপনাসহ কারাগার এবং সরকারি বিভিন্ন ভবন।
বেলুচিস্তানে সবচেয়ে সক্রিয় বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহী গোষ্ঠী বালুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এক বিবৃতিতে হামলার দায় স্বীকার করেছে।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































