ছবি: এআই
আমরা অযথা আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উদযাপন করি। এ দিনটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো- শ্রমিকদের শোষণ মুক্ত রাখা। তবে এর ধারেকাছেও নেই আমরা। পক্ষান্তরে আমরা শ্রমিকদের বঞ্চিত করেই যাচ্ছি। সেই ১৮৮৬ সালের শ্রমিক আন্দোলন আজও সফলতার দোরগোড়ায় পৌঁছতে পারেনি। এখনো শ্রমিকরা শোষিত হচ্ছেইৎ, হতেই থাকবে।
এখন এ দিনটিকে ‘শ্রমিক শোষণ দিবস’ নামে নামকরণ করা সময়ের ব্যাপার মাত্র।
মিল মালিকদের শোষণের চেয়ে এখন বেশি শোষণ করছে বড় পোস্টে থাকা শ্রমিক কর্মকর্তারা। তারা চালাচ্ছে সাধারণ শ্রমিকের উপর অমানবিক নির্যাতন। বড় বড় কর্মকর্তাদের ভুলের মাশুল দিতে হয় বোঝা টানা ছোট ছোট শ্রমিকদেরকে। পান থেকে চুন খসলেই সব দোষ ছোট শ্রমিকদের। বড়দের তুলতুলে হাত, ভুঁড়িওয়ালা পেট পর্যন্ত তা যায় না। কম বেতনের ছোট শ্রমিকদের আহাজারি মিল মালিকদের কান পর্যন্ত পৌঁছানোর কোন ব্যবস্থা নেই। তারা দোষ করুক আর না করুক, সিসিটিভি ফুটেজে তাদেরকে অপরাধী বানানো করা যাক আর না যাক ছাঁটাই তারাই হয়। লাথি পড়ে আলুর ভর্তার পাতিলে, রাঘব বোয়ালদের অভিজাত প্লেটে নয়।
আরও পড়ুন<<>> বিএনপির রবীন্দ্রনাথ
তার উপর রাজনৈতিক সন্ত্রাসী বাহিনীর তোষণ পোষণতো আছেই । তারা তো সাধারণ মানুষের পক্ষে কথা বলে বসে বসে মাগনা খাওয়া মাসোহারার নেশায় মাতাল। ঠিকই কিন্তু শ্রমিক দিবসে কপালে লাল ফিতে বেঁধে শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের স্লোগান দিয়ে বুক চেতিয়ে বাড়ি যায়।
চলছে, চলুক। গরীব শ্রমিকের আবার অধিকার কী! আপনার কী বলেন?
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































