ছবি : আপন দেশ
এতোটুকু প্রেম চাই
সূর্যের চোখে জল!
নক্ষত্রদের বুকে যেন লাঙ্গলের ফলার আঁচড়।
চাঁদ, তারার বেপরোয়া ছুটাছুটি,
ওরা গোলাপ কিংবা রজনীগন্ধায় নাক রাখছে না;
মারিজুয়ানায় লম্বা টান দিয়ে
ঘুরেফিরে জুয়ার আসরে বিশ্রাম নেয়।
দামাল জোৎস্নার মুখে হনুমানের লেজ ,
ঝুলন্ত বটের শেকড়ে ঝুলে যাচ্ছে বইয়ের পাতা,
পাঠকের হৃদয় জুড়ে নিকোটিনের নখ।
সমগ্র আসমানব্যাপী ল্যাকটোব্যাসিলাস-
ক্ষেতের আলে আলে বিষাক্ত ব্যাঙের মেলা।
কী নির্লজ্জতা!
দর্পিত স্পর্ধায় দম্ভে ফুলিয়ে বুক
প্রাগৈতিহাসিক উপন্যাসের শাড়ির আঁচলে মুখ মুছে শেয়ানা বাঁদর।
বৃদ্ধা বিধবা অথবা শিশুর কাফন ছিঁড়ে
কপালে বিজয়ের পট্টি বেঁধে খিলখিলিয়ে হেসে যাচ্ছে
গন্ধগোকুল,
তাজা প্রাণের ঝোলের গন্ধে বাতাসও ভুলেছে বোল।
রক্ত বিছানো ক্লান্তির টেবিলে
আগুনের জিভে চেটে নেয় হাততালি,
লজ্জাহীনের নির্লজ্জ তলোয়ারে কুপিয়ে যায়
মঙ্গল প্রদীপ।
অথচ এতোটুকু প্রেম হলেই ,
কিঞ্চিত মহব্বত পেলেই
আলোর দেবতা নেমে আসতো ধুলোর বিছানায়।
আমার পরম পাথেয় তোমাদের সভ্যতায়
আমি মরে গেলে
আমার কাফনের ভাঁজে ভাঁজে কষ্টকে দিও সেলাই করে,
কোমল হাতের যত্নে বুনে দিও যন্ত্রণার বীজ।
আমি মরে গেলে
পৃথিবীর তাবত বেদনার ভার আতরের ঘ্রাণে
ছিটিয়ে দিও বুকের উপর,
ব্যর্থতার উপহাসের সাপ ছেড়ে দিও
আহাদ নামা দোয়ার নামে;
হয়তো আমি নিষ্কৃতি পেয়ে যাবো ফেরেশতাদ্বয়ের জিজ্ঞেসার জাল থেকে।
আমার কবরের উপর বিছিয়ে দিও অবজ্ঞার বাঁশ-
নিশ্চয়ই ছায়া দেবে সুশীতল আঙুর দানার।
কবরে নামানোর সময়
ধর্মের প্রচলিত দোয়া বাদ দিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপের শিস বাজিয়ে দিও,
মাটির ঢাকনা চেপে দিও উচ্ছিষ্ট বলে।
কল্পিত সাপ বিচ্ছুর মৈথুনে আর ক্লান্ত হবো না,
তোমাদের সভ্যতার দেয়া উপহারেই ওরা সন্তুষ্ট রবে।
আমার বিশ্বাস -
আমি ছুঁয়ে দেবো স্বর্গের সিঁড়ি,
ইসমে আজমের দোলনা পেয়ে যাবো তোমাদের লাঞ্ছনায়;
ঈশ্বর বেটার কি আর সাধ্য থাকবে
ফিরিয়ে দিতে আমায় আয়েশের বালাখানা হতে?
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































