ছবি: সংগৃহীত
ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিরল গোয়েন্দা বিমান ধ্বংস হওয়ার ঘটনা নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক উত্তেজনাকে সামনে নিয়ে এসেছে।
সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং ই-৩ সেনট্রি মডেলের একটি বিশেষ গোয়েন্দা বিমান ধ্বংস করে দেয়। এ হামলায় অন্তত ১২ জন মার্কিন সেনা আহত হন।
এ বিমানটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সম্পদ। উন্নত রাডার প্রযুক্তি ব্যবহার করে এটি শত শত কিলোমিটার দূরের যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করতে পারে এবং তাৎক্ষণিকভাবে কমান্ড সেন্টারে তথ্য পাঠায়। ফলে আকাশযুদ্ধে এটি ‘ফ্লাইং কমান্ড সেন্টার’ হিসেবে কাজ করে।
জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এ ধরনের বিমানের সংখ্যা খুবই সীমিত—মাত্র ১৬টি। আগে এ সংখ্যা প্রায় ৩০টির মতো ছিল। তাই একটি বিমান ধ্বংস হওয়া সামরিক দিক থেকে বড় ক্ষতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন <<>> ইরানের পক্ষে ইসরায়েলে দ্বিতীয় দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুথিদের
এ হামলায় শুধু এই গোয়েন্দা বিমানই নয়, কয়েকটি রিফুয়েলিং (জ্বালানি সরবরাহকারী) বিমানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বিমান সহজে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব নয়। বিকল্প হিসেবে ই-৭ ওয়েজটেইল আনা যেতে পারে, তবে এর প্রতিটির মূল্য প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলার এবং তা মোতায়েন করতেও সময় লাগে।
সব মিলিয়ে, এ হামলা শুধু তাৎক্ষণিক সামরিক ক্ষতিই নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ নজরদারি সক্ষমতার ওপরও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































