ছবি: বাফুফে
নানা অব্যবস্থাপনার মধ্যেই প্রায় দেড় বছর বিরতি দিয়ে গত ২৯ ডিসেম্বর মাঠে গড়িয়েছে নারী ফুটবল লিগ। সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও পরিবেশ বদলায়নি। কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাব ও জামালপুর কাঁচারিপাড়া একাদশের খেলোয়াড়রা।
শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে, ফরাশগঞ্জের জাতীয় দলের ফুটবলার মনিকা চাকমা, তহুরা খাতুনকে দুই ম্যাচ এবং জামালপুরের সাবিত্রি ত্রিপুরাকে ২ ম্যাচ নিষিদ্ধ করে বাফুফের ডিসিপ্লিনারি কমিটি। তবে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবে ফরাশগঞ্জ ক্লাব।
ফরাশগঞ্জের ম্যানেজার বাবুরাম বলেন, ওই ম্যাচে রেফারির আরও যত্নবান হওয়া উচিত ছিল। আপিল কমিটির কাছে আমরা শাস্তির বিরুদ্ধে আবেদন করব। আমাদের বিদেশি খেলোয়াড় পুজা ইনজুরিতে প্রায় দুই সপ্তাহ বাইরে। এটা আমাদের দেশের খেলোয়াড়দের কেউ হলে সামনে নারী এশিয়া কাপে প্রভাব পড়ত। ফুটবলারদের সুরক্ষা দেয়ার দায়িত্ব রেফারির।
আরও পড়ুন<>>ভারতে না খেললে পয়েন্ট হারাতে হবে: বিসিবিকে আইসিসি
৩০ মিনিটে একটি ফাউলকে কেন্দ্র করে দুই দলের ফুটবলাররা জড়িয়ে পড়েন মারামারিতে। কাঁচারিপাড়া একাদশের ফুটবলার সাবিত্রি ত্রিপুরা ফাউল করেছিলেন ফরাশগঞ্জের মনিকাকে। মনিকা উঠে দাঁড়িয়ে আক্রমণ করেন সাবিত্রিকে। তখনই শুরু হয় মারামারি। বাফুফের ডিসিপ্লিনারি কমিটি ম্যাচের ফুটেজ, রেফারি ও ম্যাচ কমিশনারের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি) নারী ফুটবল লিগে ম্যাচ ছিল না। বুধবার সকাল দশটা থেকে খেলা শুরু হয়েছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত পাঁচটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। তবে এদিন ফরাশগঞ্জের কোনো ম্যাচ নেই।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































