ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধের অবসানে একটি শান্তি প্রস্তাবের কথা বলেছেন। এর পরই ইরান জানায়, তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে ‘অ-শত্রুভাবাপন্ন’ বা নিরপেক্ষ তেলবাহী জাহাজ চলাচল করতে দেবে।
ইরান-ইসরায়েলের পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মধ্যেই এ কূটনৈতিক উদ্যোগ সামনে আসে। ইরানি হামলায় ইসরায়েলে কয়েকজন আহত হয়েছেন। জবাবে ইসরায়েল একাধিক ফ্রন্টে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননের একটি অংশ দখলের অঙ্গীকার করেছে।
শান্তি পরিকল্পনার খবরটি এসেছে ট্রাম্পের বিপরীতমুখী বক্তব্যের পর। গত কয়েক দিনে তিনি একদিকে ইরানকে ধ্বংসের হুমকি দিয়েছেন। আবার অন্যদিকে যুদ্ধ শেষ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে ইরান এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এ আলোচনা নিশ্চিত করেনি।
ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ইরান সম্প্রতি ‘অবিশ্বাস্য কিছু’ করেছে। তারা একটি মূল্যবান ‘উপহার’ পাঠিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, এটি প্রমাণ করে সঠিক ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
যদিও তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি, তবে ইঙ্গিত দেন বিষয়টি হরমুজ প্রণালি ঘিরেই। এর কিছুক্ষণ পর আন্তর্জাতিক সমুদ্র চলাচল সংস্থার (আইএমও) মাধ্যমে প্রচারিত বার্তায় ইরান জানায়, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরপেক্ষ জাহাজ নিরাপদে চলাচল করতে পারবে।
এর আগেও তেহরান বন্ধুপ্রতিম দেশের জাহাজে হামলা না করার কথা জানিয়েছিল। তবুও ঝুঁকির কারণে অনেক বীমা কোম্পানি এ পথে জাহাজ চালাতে আগ্রহ দেখায়নি।
সাম্প্রতিক পরিস্থিতির উন্নতির খবরে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৬ শতাংশ কমেছে। এটি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য স্বস্তির। কারণ, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়া আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছিল।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































