ছবি: সংগৃহীত
বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। তার বিরুদ্ধে গত জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি আপত্তিকর ও কুরুচিকর পোস্টার প্রকাশ্যে তুলে ধরার অভিযোগ ওঠে।
যদিও তিনি বারবার দাবি করে আসছেন, ছবিটি তিনি না দেখেই হাতে নিয়েছিলেন এবং ছবি তুলেছিলেন। তার এমন পরিস্থিতি অভিনেত্রীর অনুকূলে যায়নি।
কলকাতার আনন্দপুর থানায় এফআইআর করা হয় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে। বিজেপির মুখপাত্র কেয়া ঘোষ এ অভিযোগ দায়ের করেন। ওই ঘটনার সম্পর্কিত একাধিক ফৌজদারি মামলা খারিজের আবেদন জানিয়েছিলেন শ্রীলেখা মিত্র। তিনি কলকাতা হাইকোর্টেও দারস্ত হয়েছিলেন।
এবার কলকাতা হাইকোর্ট যে নির্দেশ দিল, তাতে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেলেন অভিনেত্রী।
বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ৩৫৩ (২) ধারায় এটিকে অপরাধ হিসাবে গণ্য করা যাবে না। অবশ্যই অভিনেত্রী যে কাজটি করেছেন, সেটি অন্যায় কিন্তু এটি কোনো অপরাধ নয়। এরপর আদালত রাজ্যকে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং অভিনেত্রীকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দেয়া হয়েছে কলকাতাও হাইকোর্টের তরফ থেকে।
আরও পড়ুন: অভিনেত্রী এলিনা শাম্মী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত
আগামী ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত শ্রীলেখা মিত্রকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দেয়া হয়েছে, যার ফলে আদালতের অনুমতি ছাড়া অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়া যাবে না। অন্যদিকে অভিনেত্রীকে তদন্তের প্রয়োজনে সব রকম সহযোগিতা করতে হবে আদালতকে।
এমনকি শ্রীলেখা মিত্রকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হলে তাকে অন্ততপক্ষে ৪৮ ঘণ্টা আগে নোটিস দিতে হবে। আর যদি তদন্তের ক্ষেত্রে সহযোগিতা না করেন, সেখানে এ নির্দেশ প্রত্যাহারের আবেদন করা যেতে পারে।
তাই আপাতত আইনিভাবে কিছুটা হলেও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন শ্রীলেখা মিত্র।
আপন দেশ/এনএম
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































