Apan Desh | আপন দেশ

টিকা

চার-পাঁচ দিনের মধ্যে হাম নিয়ন্ত্রণে আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চার-পাঁচ দিনের মধ্যে হাম নিয়ন্ত্রণে আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দেশের সব জেলা হাসপাতালে আইসিইউ সেবা নিশ্চিত করা গেলে কেন্দ্রীয় হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ অনেকাংশে কমে আসবে। তিনি বলেন, আগামী চার-পাঁচ দিনের মধ্যে হামের সংক্রমণ কমে আসবে। সোমবার (০৪ মে) রাজধানীর বনানীতে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সাখাওয়াত হোসেন জানান, বর্তমানে হামের প্রকোপ মোকাবিলায় বিশেষায়িত ওয়ার্ড স্থাপন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় এর সংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী চার-পাঁচ দিনের মধ্যে হামের সংক্রমণ কমে আসবে। একই সঙ্গে আমরা আসন্ন ডেঙ্গু ঝুঁকি সামলাতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।

০৫:০৭ পিএম, ৪ মে ২০২৬ সোমবার

হাম উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

হাম উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

হাম ও হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও আট জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে নিশ্চিত হামে একজন মারা গেছে এবং হাম উপসর্গে বাকি সাতজন মারা গেছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৪২১ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৩২ হাজার ২৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৪৩ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা চার হাজার ৬০৩ জন। ১৫ মার্চ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২১ হাজার ৪৩৪ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৭ হাজার ৯৫৫ জন।

০৩:৩০ পিএম, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ রোববার

হাম উপসর্গে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু

হাম উপসর্গে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এসময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ২৮৭ জন। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা) অধ্যাপক ডা. বে-নজীর আহমেদ বলেন, হাম প্রকৃপক্ষে একটি মারাত্মক ভাইরাল ডিজিজ। মায়াসলেস ভাইরাস নামের একটি ভাইরাস দ্বারা এটি ছড়ায়। টিকার মাধ্যমে এ ভাইরাসটি বহু বছর ধরে আমরা প্রতিরোধ করে আসছি। এবার একটু ব্যত্যয় ঘটতে দেখা গেল। যেখানে আগে হাম হতোই না, সেখানে এবার মহামারি আকারে দেখা গেল।

০৩:৪৬ পিএম, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার

বিগত দুই সরকারের ব্যর্থতায় হামের প্রাদুর্ভাব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিগত দুই সরকারের ব্যর্থতায় হামের প্রাদুর্ভাব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বিগত দুই সরকারের ব্যর্থতায় শিশুদের টিকা না দেয়ার কারণে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে মুন্সিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ঝটিকা পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন। সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পরে দেশে হামের টিকা প্রদানে সচেতনতা মূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়নি। গত ৬ বছরে দেশে হামের ক্যাম্পেইন করেনি বিগত সরকার। বিগত দুই সরকারের ব্যর্থতায় শিশুদের হামের টিকা না দেয়ার কারণে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, সরকার এখন সারা দেশব্যাপী হামের টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু করেছে। শুরুতে দেশের ৩০টি উপজেলায় কার্যক্রম শুরু করলেও গত ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে পূর্ণাঙ্গভাবে টিকা প্রদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। দ্রুত সময়ে হামের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

১১:০১ পিএম, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার

হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু

হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু

দেশজুড়ে বাড়ছে হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। সংক্রমণের এ ঊর্ধ্বগতির মধ্যেই গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৪ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিলেন এবং বাকি ৩ জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৪ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৫৫৯ জনে। এর মধ্যে চার হাজার ২৩১ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে। এ পর্যন্ত সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মিলিয়ে ১৯ হাজার ৭০৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আর ১৬ হাজার ৫২৭ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৪২ জন মারা গেছেন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৯৮ জন।

০৪:২৮ পিএম, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার

হাম উপসর্গ নিয়ে ৪ জনের মৃত্যু

হাম উপসর্গ নিয়ে ৪ জনের মৃত্যু

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ১৯৭ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ২৩ হাজার ৬০৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৬৫ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা তিন হাজার ৪৪৩ জন। ১৫ মার্চ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫ হাজার ৩২৬ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১২ হাজার ৩৯৬ জন।

০৩:৫২ পিএম, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ রোববার

‘হামের চিকিৎসায় শিশু হাসপাতালের বরাদ্দ যথেষ্ট না’

‘হামের চিকিৎসায় শিশু হাসপাতালের বরাদ্দ যথেষ্ট না’

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, হামের চিকিৎসায় বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে সরকারি বরাদ্দ যথেষ্ট না। এখানে আরও গুরুত্ব দেয়া দরকার সরকারের। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এ হাসপাতালটা সরকারি না, এটা সংবিধিবদ্ধ একটা হাসপাতাল। সরকার আগে প্রতি বছর দিত ৩০ কোটি, এবার দিচ্ছে ২৮ কোটি। সে ২৮ কোটির মধ্যে এ পর্যন্ত তারা ফার্স্ট কোয়ার্টারে ৭ কোটি টাকা পেয়েছেন, বাকিটা হয়তো তারা পাবেন; কিন্তু এ দিয়ে হাসপাতাল চলে না। এখানে ৭০০টি শয্যা আছে, এর মধ্যে ২৫০ শয্যা হলো ফ্রি। বাকিগুলোতে রোগীদের সব খরচ দিয়ে থাকতে হয়। সেভাবে তারা চালাচ্ছেন এবং যেটুকু সম্ভব তাদের পক্ষে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।

০৮:০৫ পিএম, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার

হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম সন্দেহে মারা গেছেন আরও দুইজন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে এক হাজার ১১৫ জন সন্দেহজনক হামরোগী শনাক্ত হয়েছেন। ১৫ মার্চ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৪৬৭ জনে। একই সময়ে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগী শনাক্ত হয়েছেন ১২৭ জন। আর ১৫ মার্চ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত মোট নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ১৯২ জন।

০৪:৪২ পিএম, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার

২০ তারিখ একযোগে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

২০ তারিখ একযোগে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন দেশে হামের টিকার কোনো সংকট নেই। আগামী ২০ তারিখ থেকে দেশজুড়ে একযোগে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, যথা সময়েই হামের টিকা দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বর্তমানে টিকার কোনো ঘাটতি নেই। আগামী ১৫ মে পর্যন্ত পর্যাপ্ত সিরিঞ্জ রয়েছে। পরবর্তী সময়ের জন্য প্রয়োজনীয় সিরিঞ্জ সংগ্রহের ব্যবস্থা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন আছে।

০৪:২১ পিএম, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার

হাম উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু

হাম উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আটজনের মধ্যে দুজন হাম আক্রান্ত হয়েই মারা গেছে বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। বাকি ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, হাম ও হাম সন্দেহে আটজনের মৃত্যু হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়। এ ছাড়া ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৭২ জন।

০৫:২৭ পিএম, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্পতিবার

এক মাসে হাম উপসর্গে ১৯৮ শিশুর মৃত্যু

এক মাসে হাম উপসর্গে ১৯৮ শিশুর মৃত্যু

বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিনই হাম ও সন্দেহজনক হামে শিশু মৃত্যুর খবর আসছে । যা উদ্বেগজনক আকার ধারণ করেছে। গত এক মাসে প্রায় ২০০ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় জনমনে উৎকণ্ঠা বাড়িয়ে দিয়েছে। সরকার টিকাদান কর্মসূচি শুরু করলেও তা এখনও সীমিত পরিসরে থাকায় অনেক শিশু রয়ে গেছে ঝুঁকির মধ্যে। এ অবস্থায় দ্রুত ও জোরালো পদক্ষেপ নেয়ার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত এক মাসে নিশ্চিত হাম ও সন্দেহজনক উপসর্গ মিলিয়ে ১৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সন্দেহজনক ১৬৬ জন এবং নিশ্চিত হামে ৩২ জন মারা গেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। জেলাভিত্তিক হিসাবে গত একমাসে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকায় ৯৪ জন। রাজশাহীতে ৬৮ জন এবং চট্টগ্রামে ১৫ জন মারা গেছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে এবং আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।

০৯:৩৮ পিএম, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার

Advertisement
সর্বাধিক পঠিত
Advertisement