Apan Desh | আপন দেশ

জমি

গাইবান্ধায় সরকারি গাছ কেটে জমি দখল, তদন্তের দাবি

গাইবান্ধায় সরকারি গাছ কেটে জমি দখল, তদন্তের দাবি

গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের কুমারপাড়া এলাকায় সরকারি রাস্তার জমি দখল করে দোকানঘর ও বাউন্ডারি প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই জমিতে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কাটার অভিযোগও পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সরেজমিন তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়েছে। গত ১৭ অক্টোবর করা ওই আবেদনে ঘটনাস্থল হিসেবে খোলাহাটি ইউনিয়নের কুমারপাড়া এলাকায় লতিফ হক্কানীর ইটভাটার সামনের স্থানটির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আবেদনে অভিযোগ করা হয়, সেখানে সরকারি রাস্তার জমি দখল করে দোকানঘর ও বাউন্ডারি প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি জমিতে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কাটার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনার অনুরোধ জানানো হয়।

০৬:০০ পিএম, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ সোমবার

অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জমি দখল, বিচার চান ভুক্তভোগীরা

অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জমি দখল, বিচার চান ভুক্তভোগীরা

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঘোগাদহ ইউনিয়নের আলেয়ার বাজার চৌধুরীপাড়া এলাকায় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে অন্যের জমি দখলের অভিযোগ ওঠেছে খয়বর আলী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অস্ত্রের ভয় ও প্রভাব খাটিয়ে অসংখ্য মানুষের জমি জালিয়াতি, প্রতারণা এবং অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় ও ভুক্তভোগীদের দাবি, বছরের পর বছর ধরে তিনি এলাকার সহজ-সরল মানুষ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় পরিবারের জমি জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন। এমনকি আপন ভাইয়ের জমিও নিজের নামে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। 

০৭:১৮ পিএম, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বৃহস্পতিবার

বাবার মরদেহ বারান্দায় রেখে জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের মারামারি

বাবার মরদেহ বারান্দায় রেখে জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের মারামারি

যশোরের কেশবপুর উপজেলার সন্ন্যাসগাছা মানপাড়া গ্রামে বাবার মৃত্যুর পর তার মরদেহ বাড়ির বারান্দায় রেখেই জমিজমা ভাগাভাগি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ন্যাসগাছা মানপাড়া গ্রামের মাহবুর ও আছাবুর নামে দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পৈতৃক সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা পারিবারিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করলেও বিরোধের স্থায়ী সমাধান হয়নি। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের পরিবারের মধ্যেও সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

০৯:০৫ পিএম, ২৪ আগস্ট ২০২৬ সোমবার

কেশবপুরে শ্যালকের বিরুদ্ধে ভগ্নিপতির সংবাদ সম্মেলন

কেশবপুরে শ্যালকের বিরুদ্ধে ভগ্নিপতির সংবাদ সম্মেলন

ক্রয়কৃত জমির দখলে নিয়ে শ্যালকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে করেছেন ভগ্নিপতি মো. ইসমাইল হোসেন খান। ঘটনাটি ঘটেছে যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার ত্রিমোহিনী ইউনিয়নের মির্জানগর গ্রামে। সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী। শনিবার (১৮ জুলাই) কেশবপুর নিউজ ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। লিখিত বক্তব্যে মো. ইসমাইল হোসেন খান জানান, প্রায় আট বছর আগে তিনি তার শাশুড়ির কাছ থেকে ৮ শতক জমি ক্রয় করেন। চাকুরির কারণে দীর্ঘ সময় বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করায় ওই জমিতে তার বড় শ্যালক খন্দকার নয়ন কুদ্দুস চাষাবাদ করতেন। পারিবারিক সম্পর্কের কথা বিবেচনা করে তিনি এ বিষয়ে কোনো আপত্তি জানাননি।

০৯:২৭ পিএম, ১৮ জুলাই ২০২৬ শনিবার

ডিসি অফিসের এও’র বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

ডিসি অফিসের এও’র বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

টাঙ্গাইল ডিসি অফিসের সাধারণ শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তার (এও) বিরুদ্ধে আত্মীয়ের জমি দখলের অভিযোগ ওঠেছে। বুধবার (১৫ জুলাই) ভুক্তভোগী কানিজ ফাতেমা প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। সংবাদ সম্মেলনে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার মটরা গ্রামের মো. রহিজ উদ্দিনের মেয়ে কানিজ ফাতেমা লিখিত বক্তব্যে দেন। তিনি বলেন, তার বাবা-চাচারা তিন ভাই মিলে মটরা মৌজায় বিভিন্ন দাগে ৩১৮ শতাংশ জমি কিনে। সে অনুযায়ী রহিজ উদ্দিন, আ. রশিদ মিয়া ও রাজু আহমেদ তিন ভাইয়ের নামে জমিগুলোর নামজারি সাপেক্ষে খাজনা পরিশোধ করা হয়। কিন্তু তার বড় চাচা আ. রশিদের মেয়ের জামাতা নজরুল ইসলাম প্রভাব খাটিয়ে তাদের ভাগের ২১ শতাংশের বসতবাড়ি ব্যতিত বাকি ৮৫ শতাংশ জমি জবরদখল করে নিয়েছেন। যিনি টাঙ্গাইল ডিসি (জেলা প্রশাসক) অফিসের সাধারণ শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা (এও) হিসেবে কর্মরত।

০৮:৩৮ পিএম, ১৫ জুলাই ২০২৬ বুধবার

পুষ্পধারা প্রপার্টিজের ২৩শ’ কোটি টাকার ভয়ঙ্কর ফাঁদ!

পুষ্পধারা প্রপার্টিজের ২৩শ’ কোটি টাকার ভয়ঙ্কর ফাঁদ!

জমির ব্যবসা বেশ প্রসার ঘটেছে বাংলাদেশে। এ ব্যবসায় নতুনমাত্রা দিয়েছে জমির ওপর বাড়ি নির্মাণ কাজ। দেশে গড়ে উঠেছে অসংখ্য হাউজিং কোম্পানি। তাদের কোনটি স্বনামে বিখ্যাত আবার কোনটি প্রতারকদের ঊষাঘর। এমনই এক হাউজিং কোম্পানির নাম পুষ্পধারা প্রপার্টিজ। ২ হাজার ৩শ’ কোটি টাকার ফাঁদ পেতেছে বাংলাদেশের ছয় ঠগ! ফাঁদের রশি টানছে শতাধিক জুনিয়র। অপ্রতিরুদ্ধ এ ফাঁদে আটকে যাচ্ছেন ৭ হাজার ৮শ’ মানুষ। ইতোমধ্যে আইনের ফাঁক গলিয়ে হাজারের বেশি সহজ মানুষকে মরণ ফাঁদে আটকিয়েছে ঠগ চক্রটি। ব্যবসা তাদের জমি ছাড়া জমি বিক্রি। তাও সেই বহুল আলোচিত বিল আড়িয়ালে।

০৬:২৩ পিএম, ৫ নভেম্বর ২০২৪ মঙ্গলবার

Advertisement
সর্বাধিক পঠিত
Advertisement