Apan Desh | আপন দেশ

অনলাইনে জমির ‘পর্চা’ খোঁজার উপায়

আপন দেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:১৫, ১৪ জুলাই ২০২৬

অনলাইনে জমির ‘পর্চা’ খোঁজার উপায়

ছবি: সংগৃহীত

জমি বা ভূমির প্রাণ বলা হয় তার দলিলকে। কিন্তু দলিলের চেয়ে ‘পর্চা’ কোনো অংশে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। যা প্রয়োজনের সময় হাতের নাগালে না পেলে পড়তে হয় ভুগান্তিতে। জমির মালিকানা যাচাই, কেনাবেচা বা কোনো আইনি প্রয়োজনে লাগে ‘পর্চা’। যা আগে খুঁজে পাওয়া কষ্টসাধ্য থাকলেও এখন অনলাইনে সহজেই পাওয়া যায়।

জমির গুরুত্বপূর্ণ নথি পর্চা খোঁজার উপায় সম্পর্কে জানাবো আজ:

অনলাইনে জমির পর্চা খোঁজার উপায়: তথ্য-প্রযুক্তির এ সময় বাসা-বাড়িতে বসে সহজেই অনলাইনে জমির পর্চা খুঁজে পাওয়া যায়। নির্দিষ্ট মৌজা, খতিয়ান নম্বর বা দাগ নম্বর দিয়ে তথ্য অনুসন্ধান করা যায়। অনলাইনে আবেদন করে নির্ধারিত ফি প্রদানের পর পর্চার কপি সংগ্রহ করা যায়। যা ডাকযোগেও পাওয়া সম্ভব।

ই-পর্চা ওয়েবসাইটে পর্চা খোঁজার উপায়: এ জন্য প্রথমে ই-পর্চা (ePorcha) ওয়েবসাইটে যেতে হবে। তারপর বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও মৌজা নির্বাচন করুন। এবার খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর বা মালিকের নাম দিয়ে সার্চ অপশন ব্যবহার করুন। সঠিক তথ্য দেয়া হলে সংশ্লিষ্ট জমির খতিয়ান স্ক্রিনে দেখাবে, আর সেখানেই বিস্তারিত সব দেখা যাবে।

অনলাইনে পর্চা পেতে যেসব তথ্য-উপাত্ত প্রয়োজন: অনলাইনে জমির পর্চা পাওয়ার জন্য আবেদন করতে বিভাগ, জেলা, উপজেলা, মৌজা, খতিয়ান বা দাগ নম্বর এবং মালিকের নাম জানতে হবে। একইসঙ্গে আবেদনকারীর পরিচয় (যেমন জাতীয় পরিচয়পত্র), একটি সচল ফোন নম্বর ও অনলাইন ফি প্রদানের ব্যবস্থা থাকা চাই। প্রয়োজনীয় সব তথ্য সঠিকভাবে দেয়া হলে সহজেই পর্চা পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন <<>> রাশিয়ায় বিয়ে করল দুই রোবট

অনলাইনে পর্চার সার্টিফাইড কপি যেভাবে আবেদন ও সংগ্রহ করা যায়: এজন্য প্রথমেই অনলাইনে সংশ্লিষ্ট খতিয়ান খুঁজে বের করার প্রয়োজন হয়। তারপর নির্ধারিত ফি প্রদানের পর আবেদন করতে হয়। আবেদন সম্পন্ন হলে তবেই সার্টিফাইড কপি অনলাইনে ডাউনলোড করা যায় কিংবা ডাকযোগে আবেদনকারীর ঠিকানায় পৌঁছে যায়। আর এ কপি আইনি কাজে গ্রহণযোগ্য।

খতিয়ান হচ্ছে জমির পূর্ণাঙ্গ রেকর্ড (রেকর্ড অব রাইটস), এতে মালিকানা, দাগ নম্বর, জমির শ্রেণি, অংশ ও খাজনার ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য থাকে। বিপরীতে পর্চা হচ্ছে ওই খতিয়ানের একটি কপি, যা সাধারণত তথ্য যাচাই বা প্রাথমিক প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

অর্থাৎ―খতিয়ান হচ্ছে মূল নথি বা কাগজ এবং পর্চা হচ্ছে সেটির ব্যবহারযোগ্য কপি বা কাগজ। আর উভয় কপিই জমির মালিকানা প্রমাণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আপন দেশ/এসএস

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়