ছবি: আপন দেশ
টাঙ্গাইল ডিসি অফিসের সাধারণ শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তার (এও) বিরুদ্ধে আত্মীয়ের জমি দখলের অভিযোগ ওঠেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) ভুক্তভোগী কানিজ ফাতেমা প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
সংবাদ সম্মেলনে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার মটরা গ্রামের মো. রহিজ উদ্দিনের মেয়ে কানিজ ফাতেমা লিখিত বক্তব্যে দেন।
তিনি বলেন, তার বাবা-চাচারা তিন ভাই মিলে মটরা মৌজায় বিভিন্ন দাগে ৩১৮ শতাংশ জমি কিনে। সে অনুযায়ী রহিজ উদ্দিন, আ. রশিদ মিয়া ও রাজু আহমেদ তিন ভাইয়ের নামে জমিগুলোর নামজারি সাপেক্ষে খাজনা পরিশোধ করা হয়। কিন্তু তার বড় চাচা আ. রশিদের মেয়ের জামাতা নজরুল ইসলাম প্রভাব খাটিয়ে তাদের ভাগের ২১ শতাংশের বসতবাড়ি ব্যতিত বাকি ৮৫ শতাংশ জমি জবরদখল করে নিয়েছেন। যিনি টাঙ্গাইল ডিসি (জেলা প্রশাসক) অফিসের সাধারণ শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা (এও) হিসেবে কর্মরত।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ভাই না থাকায় চাচা ও চাচার মেয়ের জামাতা তাদের জমিগুলো জবরদখল করেছে। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তিনি কোনো জমি পাবেন না।
এ বিষয়ে পারিবারিকভাবে একাধিকবার বৈঠক হলেও নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী ও মগড়া ইউপি সচিব শামছুন্নাহারের কারণে মীমাংসা হয়নি। উপরন্তু কোনো প্রকার জমি দাবি করলে তাকে ও তার বাবা রহিজ উদ্দিনকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠানো হবে। এরপরও কথা না শুনলে তাদের মেরে ফেলা হবে বলেও হুমকি দেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন<<>>মোবাইল ফোনসহ কেন্দ্রে প্রবেশ, পরীক্ষার্থী বহিষ্কার
এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে কানিজ ফতেমার বাবা মো. রহিজ উদ্দিন, মা বিলকিছ বেগম এবং বিভিন্ন প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল ডিসি অফিসের সাধারণ শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা(এও) নজররুল ইসলাম জানান, জমি-জমার বিষয় নিয়ে পারিবারিকভাবে একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। একটি বৈঠকে তিনি উপস্থিত ছিলেন, মীমাংসাও হয়েছিল। কিন্তু কানিজ ফাতেমার স্বামীর কারণে সে মীমাংসা ভণ্ডুল হয়ে যায়। তারপর আর কখনো তিনি ওই জমি-জমার বিষয়ে কোনো খোঁজখবর রাখেননি, প্রয়োজনও মনে করেন না। অহেতুক তাকে দোষারোপ করা হচ্ছে।
আপন দেশ/এসআর
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































