Apan Desh | আপন দেশ

চলতি বছরে শেয়ারবাজারে বিদেশিদের আগ্রহ বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১৪:৩৬, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

চলতি বছরে শেয়ারবাজারে বিদেশিদের আগ্রহ বাড়ছে

ফাইল ছবি।

টানা দুই বছরের নিম্নমুখী ধারা থেকে বেরিয়ে চলতি বছরের শুরু থেকে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। শেয়ার বিক্রির ধারা থেকে সরে এসে তারা এখন কেনার পরিমাণ বাড়াচ্ছেন। এতে শেয়াবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নিয়ে নতুন প্রত্যাশা শুরু হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সর্বশেষ লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বিদেশিরা মোট ১৯৭ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার কিনেছেন। একই সময়ে তাদের বিক্রির পরিমাণ ছিল ১৭৯ কোটি ৬১ লাখ টাকা। অর্থাৎ জানুয়ারি মাসে ১৮ কোটি টাকা বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে। আর ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ১৫ দিনে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বিদেশিদের শেয়ার লেনদেন ৪৮ শতাংশ বেড়ে ১৭৩ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ১৫ দিনে বিদেশিরা ১১৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন করেছিলেন।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এ ইতিবাচক প্রবণতা অব্যাহত থাকলে শেয়ারবাজারে তারল্য পরিস্থিতির আরও উন্নতি হতে পারে। এতে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের মাঝেও আস্থা ফিরে আসে ও তারা নতুন করে বিনিয়োগে উৎসাহিত হন।

অবশ্য সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারির শুরু থেকে ফেব্রুয়ারি ১৫ দিনে বিদেশি বিনিয়োগকারীর সংখ্যা কমেছে। জানুয়ারির শুরুতে বিদেশি হিসাবধারীর বেনিফিশিয়ারি ওনার্সের (বিও) সংখ্যা ছিল ৪৩ হাজার ৫৪৯টি। এটি ফেব্রুয়ারির ১৫ দিন শেষে কমে হয়েছে ৪৩ হাজার ১০১টি হয়েছে। এ সময়ে বিদেশিদের বিও কমেছে ৪৪৮টি। অর্থাৎ সংখ্যার দিক বিবেচনায় বিদেশিদের অংশগ্রহন কমলেও তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ চলতি বছরের প্রথম দেড় মাসে বেড়েছে।

ডিএসইর তথ্য বলছে, ২০২৫ সালে বিদেশিরা মোট ২ হাজার ৯৫ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেন। বিপরীতে কেনেন ১ হাজার ৮২৫ কোটি টাকার শেয়ার। ফলে বছর শেষে তাদের নিট বিনিয়োগ ২৭০ কোটি টাকা কমেছে। ২০২৪ সালেও বিদেশিদের নিট বিনিয়োগ কমেছিল ২৬১ কোটি টাকা। এর আগের বছর (২০২৩ সালে) তাদের নিট বিনিয়োগ ছিল ইতিবাচক, যার পরিমাণ ৬৪ কোটি টাকা। গত ৮ বছরের মধ্যে ৭ বছরই বিদেশিদের বিনিয়োগ ঋণাত্মক ছিল।

২০২৫ সালের ১২ মাসের মধ্যে পাঁচ মাসে বিদেশিদের অবস্থান ইতিবাচক ছিল। বিশেষ করে মে থেকে আগস্ট সময়ে তারা সক্রিয়ভাবে শেয়ার কেনেন। যা ডিএসইএক্স সূচককেও উর্ধ্বমুখী করে। তবে সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে শেয়ার বিক্রি করে বিনিয়োগ তুলে নেন।

আপন দেশ/এমবি

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়