ছবি : আপন দেশ
আধুনিকতার ছোঁয়া যে শুধু নাগরিক জীবনে লেগেছে সেটা নয়, গ্রামের দিকে তাকালে গত এক দশকে বা তার খানিকটা বেশি সময়ে আধুনিকতার স্পর্শ আর সভ্যতার ক্রমবিকাশে যে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে তা স্পষ্ট ফুটে উঠে। আর এ পরিবর্তনের ছোঁয়া থেকে বাদ যায়নি আমাদের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলাও।
আধুনিক সভ্যতার ছোঁয়া ও কালের বিবর্তনে ইতিহাস থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে এসব খেলাধুলা। সবচেয়ে বেশি প্রচলিত দাঁড়িয়াবান্ধা, গোল্লাছুট, বৌচি, কানামাছি প্রভৃতি গ্রামীণ খেলার প্রচলন নেই। নতুন প্রজন্মের কাছে দেশীয় গ্রামীণ ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখে আয়োজন করা হয়েছে ‘বৈশাখী ক্রীড়া উৎসব’।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাজধানীর পল্টন ময়দানে দিনব্যাপী এ উৎসবের উদ্বোধন করবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। উৎসবে মোট ১০টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
আরও পড়ুন<<>>স্বর্ণজয়ী ভারোত্তোলক মাবিয়া নিষিদ্ধ
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) মোহাম্মদ আমিনুল এহসান ও স্পন্সর প্রতিষ্ঠান মৌসুমী ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (কিউট) এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত থাকবেন।
রোববার (১২ এপ্রিল) বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের ডাচ বাংলা অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পৃষ্ঠপোষক মৌসুমী ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান কাজী রাজীব উদ্দিন আহমেদ চপল।
তিনি জানান, উৎসবে মোট ২৫০ জন ক্রীড়াবিদ অংশগ্রহণ করবেন। বৈশাখী উৎসবের যাতীয় খরচ বহন করবে ‘কিউট’ ব্র্যান্ডের কোম্পানি মৌসুমী ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। অংশগ্রহণকারী সকল খেলোয়াড়কে মেডেল প্রদান করা হবে।
উৎসবের ইভেন্টগুলো হলো- আর্চারি, কাবাডি, ভলিবল, কুস্তি, প্যারা ইভেন্ট, সেপাক টাকরো, খো খো, কান্ট্রি গেমস, লাঠি খেলা ও বলি খেলা ।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































