জিএম হায়দার সাজ্জাদ ও শুটার কামরুন নাহার কলি
শুটিংয়ে হ-য-ব-র-ল অবস্থা। যৌন হয়রানির অভিযোগে যুগ্ম সম্পাদক জিএম হায়দার সাজ্জাদকে ফেডারেশন থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে কোড অব কন্ডাক্ট ভাঙ্গার অভিযোগে ফেডারেশন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে শুটার কামরুন নাহার কলিকে বহিষ্কার করেছে। সে সঙ্গে তিন কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শাও নোটিশ দেয়া হয়েছে। নোটিশে করেছেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আরা খানমের (আলেয়া ফেরদৌস)।
শুটিং ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক জিএম হায়দার সাজ্জাদের বিরুদ্ধে যৌন ও মানসিক নিপীড়নের অভিযোগ ছিল। শুটারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এ নিয়ে তদন্ত কমিটিও গঠন করেছিল। সে কমিটির প্রতিবেদনের আগেই জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ জিএম হায়দার সাজ্জাদকে শুটিং ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।
১ জানুয়ারি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক মো. দৌলতুজ্জামান খান এ সংক্রান্ত আদেশে সই করেন। সে চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, 'যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে প্রদত্ত এ নির্দেশনা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।
আরও পড়ুন<<>>আইপিএল থেকে মোস্তাফিজ বাদ, আসিফ নজরুলের কড়া বার্তা
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন- ২০১৮ অনুযায়ী ফেডারেশনের কমিটি গঠনের এখতিয়ার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের রয়েছে। বিশেষত এডহক কমিটির কর্মকর্তাদের যেকোনো মুহূর্তে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এনএসসির।
জিএম হায়দারকে এনএসসি অব্যাহতি দেয়ার দিনই আবার নারী শুটার কামরুন নাহারকে শুটিং ফেডারেশন সাময়িক বহিষ্কার করেছে। শুটিং
ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আরা খানম স্বাক্ষরিত চিঠিতে কামরুন নাহারকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে কেন তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না এজন্য কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।
কলিকে সাময়িক বহিষ্কারের চিঠিতে ফেডারেশনের কোড অফ কন্ডাক্টের কয়েকটি ধারা ভঙ্গের অভিযোগ এনেছে ফেডারেশন। কামরুন নাহার অলিম্পিকের বৃত্তির আওতায় রয়েছেন। এজন্য অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনকেও অবহিত করেছে শুটিং ফেডারেশন। শুটিং ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের ধারণা, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চিঠির প্রেক্ষিতেই কলির ওপর ফেডারেশনের এমন শাস্তি আরোপ ।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































