ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাতে ক্ষত বিক্ষত ইরান। হামলায় এরইমধ্যে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ বহু সামরিক-বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। দেশে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে স্বজনদের রেখে এএফসি নারী এশিয়ান কাপ খেলতে অস্ট্রেলিয়া গেছেন ইরানের নারী ফুটবল দল। সোমবার (০২ মার্চ) মাঠে নামবেন তারা।
অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্টে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে প্রেস কনফারেন্সেও খামেনিকে নিয়ে প্রশ্ন করা হয় ইরান দলকে। এক ইরানি সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনির মৃত্যু বা তাকে নিহতের ঘটনার পর খেলোয়াড়দের ‘মনের অবস্থা’ কেমন। প্রশ্নটি ফারসি ভাষায় করা হয় তাকে।
ইরানের কোচ মার্জিয়া জাফারি এবং অধিনায়ক জাহারা গানবারি সংক্ষিপ্ত জবাব দেন, তাতে খামেনিকে প্রসঙ্গটি সুকৌশলে এড়িয়ে যান তারা। তারা বলেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, আমরা এখানে লড়তে এসেছি এবং আমাদের একমাত্র লক্ষ্য বিশ্বকাপ। আমাদের পূর্ণ মনোযোগ এখন কেবল ফুটবল মাঠেই। তাদের কথায় দৃঢ়তা ছিল। তবে চেহারায় চাপও দেখা গেছে।
আরও পড়ুন<<>>চীনের বিপক্ষে লড়াইয়ে আত্মবিশ্বাসী মনিকারা
প্রশ্নটি অনুবাদ করতে গিয়ে এএফসি মিডিয়া অফিসার কিছু সময় নেন। তিনি পরে বলেন, ম্যাচের আগে শুধু ফুটবল নিয়ে কথা বলাই ভালো। এ ঘটনা দেখায়, আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টেও রাজনীতি এড়িয়ে যাওয়া কঠিন।
এর মধ্যে নতুন অভিযোগও উঠেছে। সিডনিতে বসবাসরত ইরানি বংশোদ্ভূত কাউন্সিলর টিনা করদরোস্তামি দাবি করেন, ইরান দলের সঙ্গে ইরানি রেভল্যুশনারি গার্ডের এজেন্ট ঢুকেছে। যদিও এ অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ সামনে আসেনি। গত এক সপ্তাহে ইরান দল নিয়ম মেনে অনুশীলন করেছে। তাদের শৃঙ্খলায় ভাঙন দেখা যায়নি।
ইরানের ভেতরে গত কয়েক মাস ধরে অস্থিরতা চলছে। সে পরিস্থিতিতে অনুশীলন চালানো সহজ ছিল না। অস্ট্রেলিয়ায় আসা মূল দলের খেলোয়াড়রা রাজনৈতিক বিষয়ে নীরব থেকেছেন। তারা ফুটবলে মন দিয়েছেন। কিন্তু দলে জায়গা না পাওয়া কয়েকজন খেলোয়াড় অবশ্য প্রকাশ্যে খামেনির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































