Apan Desh | আপন দেশ

আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে আওয়ামী লীগ: সাবেক উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ২১:১০, ২৫ মে ২০২৬

আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে আওয়ামী লীগ: সাবেক উপদেষ্টা

সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন

আমি মনে করি আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে একেবারে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না। আমাদের মানুষজনের স্মৃতিশক্তি খুব দীর্ঘ না। তারা রাজনীতিতে ফিরে আসবে এবং আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে বলে মনে করেন সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।

সোমবার (২৫ মে) একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

তৌহিদ হোসেন বলেন, দায়িত্ব নিয়ে শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে দিল্লিকে চিঠি লিখতাম। এটাও জানতাম এ চিঠি কাজে আসবে না।

আরও পড়ুন<<>>তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে: ত্রাণমন্ত্রী

তৌহিদ হোসেন বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিত সাত সদস্যের ‘কিচেন কেবিনেট’। তারা প্রতি মঙ্গলবার বৈঠক করতেন।

তিনি বলেন, তার নিজের মন্ত্রণালয়েই একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল। এজন্য তিনি ৩ বার পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে তা গৃহীত হয়নি। তারা অনুরোধ করেছে যে এমন সিদ্ধান্ত সরকারের জন্য খুবই অস্বস্তিকর হবে।

উপদেষ্টাদের প্রভাবের বিষয়ে তৌহিদ হোসেন বলেন, এক্ষেত্রে তাদের যথেষ্ট অভিজ্ঞতা ছিলো না। তারপরও তাদের মতামতকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিতে হতো। কারণ, উচ্চপর্যায়ে তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেয়া হতো।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ডিপ স্টেট সক্রিয় ছিল কি না, এমন প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন তিনি। বলেন, ডিপ স্টেট পৃথিবীতে সব ঘটনার সঙ্গেই জড়িত থাকে। ডিপ স্টেট যুক্ত হয়, তবে স্রোতের বিপক্ষে নয়, তারপর তারা সেটিকে ম্যানিপুলেট করে।

নিজের প্রত্যাশার একটা বড় অংশই পূরণ হয়নি জানিয়ে এ উপদেষ্টা বলেন, কোনো এক উপলক্ষ্যে কিচেন কেবিনেটের একটা বৈঠকে আমাকে যেতে হয়েছিল, যমুনাতে। পরে আমি জেনেছি যে প্রতি মঙ্গলবার তারা বসেন। সিদ্ধান্ত নেয় কেউ কেউ, এ ধরনের কথাবার্তা শোনা যেত। আমার কানেও আসত। কিন্তু এর বাইরে আসলে আমার জানা ছিল না যে, এরকম একেবারে একটা গ্রুপ আছে, যারা নিয়মিত বসে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য।

ভোটের মাত্র তিন দিন আগে অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে বাণিজ্য চুক্তি করেছে, তার সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন তিনি।

তৌহিদ হোসেন বলেন, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এতে সামান্যতমও যুক্ত ছিল না। এটাতে যুক্ত ছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। কোনো কারণ হয়তো ছিল পেছনে, যে জন্য আমরা বাধ্য ছিলাম। কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকলে সই করার বিষয়টা নির্বাচিত সরকারের ওপর ছেড়ে দেয়াই যথাযথ হতো।

বিএনপি সরকারকে নিয়ে এখনই মূল্যায়ন করতে নারাজ এ কূটনীতিক। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-চীন-ভারতকে সামলানোই তারেক রহমানের বড় চ্যালেঞ্জ।

আপন দেশ/এসআর

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়