Apan Desh | আপন দেশ

‘নিরাপদ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় আগামী নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ 

প্রকাশিত: ১৩:৩১, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ১৪:১৫, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬

‘নিরাপদ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় আগামী নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’

ছবি : আপন দেশ

নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য আগামী নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও গুরুতর আহতদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। 

তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন, যারা হতাহত হয়েছেন তাদের উদ্দেশ্য কী ছিলো? তাদের উদ্দেশ্য ছিল একটি স্বনির্ভর, একটি নিরাপদ একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা। একটি নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য আগামী জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত, অত্যন্ত এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন, যারা হতাহত হয়েছেন তাদের উদ্দেশ্য কী ছিলো? তাদের উদ্দেশ্য ছিল একটি স্বনির্ভর, একটি নিরাপদ একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা। একটি নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য আগামী জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত, অত্যন্ত এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, একটি নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হলে আগামী দিনে সবাইকে এভাবেই শোক সমাবেশ আর শোক গাঁথা চলমান রাখতে হবে।

তিনি বলেন, আর শোক গাঁথা বা শোক সমাবেশ নয়। বরং আসুন গণতন্ত্রকামী মানুষ আগামীর বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিজয়ের গাঁথা রচনা করবে ইনশাল্লাহ।

তারেক রহমান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন এবং যারা আহত হয়েছেন, তারা সবাই মুক্তিযোদ্ধা। যেমনভাবে ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন, ঠিক তেমনি ২০২৪ সালে জুলাই যোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছেন। 

আরও পড়ুন<<>>‘গুম-খুনের শিকার পরিবারের পাশে থাকবে বিএনপি’

তিনি বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় একটি পৃথক বিভাগ গঠন করা হবে, যার দায়িত্ব থাকবে জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের দেখভাল করা। আমরা হারানো স্বজনকে ফিরিয়ে দিতে পারব না, কিন্তু তাদের পরিবারের কষ্ট লাঘবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব অবশ্যই পালন করব।

তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হাজার হাজার মানুষ গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। শুধু জুলাই গণঅভ্যুত্থানেই দেড় হাজারের বেশি মানুষ শহীদ এবং প্রায় ৩০ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। অনেকেই চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। এ হত্যাকাণ্ডকে এক কথায় গণহত্যা বলা যায়।

জুলাই আন্দোলনে যারা শহীদ এবং আহত হয়েছেন, তাদের সাহসিকতার কারণেই ফ্যাসিবাদী শক্তি শুধু ক্ষমতা থেকেই নয়, দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো দল বা গোষ্ঠীর আন্দোলন নয়; এটি ছিল দল-মত-ধর্ম নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের গণআন্দোলন। এ আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা।

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, একটি নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে হলে সুষ্ঠু নির্বাচন অপরিহার্য। জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে শহীদ ও আহতদের প্রতি দেওয়া প্রতিশ্রুতি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

বক্তব্যের শেষে তিনি শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

মতবিনিময় সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমানও।

আপন দেশ/জেডআই

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়