স্যার টম স্টপার্ড। ছবি : সংগৃহীত
কিংবদন্তি নাট্যকার ও অস্কারজয়ী চিত্রনাট্যকার স্যার টম স্টপার্ড মারা গেছেন। ইংল্যান্ডের ডরসেটে নিজ বাসায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।
এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
এক বিবৃতিতে স্টপার্ডের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড এজেন্টস জানিয়েছে, টমকে মনে রাখা হবে তার কাজের উজ্জ্বলতা, মানবিকতা, বুদ্ধিদীপ্ততা এবং ইংরেজি ভাষার প্রতি অগাধ ভালোবাসার জন্য।
১৯৩৭ সালে তৎকালীন চেকোস্লোভাকিয়ায় টম স্টপার্ডের জন্ম। তখন তার নাম রাখা হয় টমাস স্ট্রাউসলার। নাৎসি দখলের আতঙ্কে তার পরিবার সিঙ্গাপুরে পালিয়ে যায়। সেখানে জাপানি বন্দিশিবিরে মারা যান তার বাবা। তিনি, তার মা ও ভাই জাপানি আক্রমণের আগেই অস্ট্রেলিয়া হয়ে ভারতে চলে আসেন। ভারতে তার মা মেজর কেনেথ স্টপার্ডকে বিয়ে করেন। এরপর তারা চলে যান ইংল্যান্ডে এবং সেখানেই তার নতুন জীবন শুরু হয়।
১৯৫৪ সালে ব্রিস্টলে সাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করেন স্টপার্ড। পরে নাট্যসমালোচক হন এবং রেডিও টিভির জন্য লেখালেখি শুরু করেন। কিন্তু তার বড় ব্রেক আসে ১৯৬০-এর দশকে। এডিনবরা ফ্রিঞ্জ ফেস্টিভ্যালে ‘রোজেনক্র্যান্টজ এবং গিল্ডেনস্টার্ন আর ডেড’ মঞ্চস্থ হওয়ার পরই বদলে যায় সবকিছু। নাটকটি পরে ন্যাশনাল থিয়েটার এবং ব্রডওয়েতেও সাড়া ফেলে।
এরপর একের পর নাটক দিয়ে আলোচনায় আসেন স্টপার্ড। কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পান একাধিক পুরস্কার। যার মধ্যে ‘অস্কার’ অন্যতম।
১৯৯৭ সালে ব্রিটিশ রানীর কাছ থেকে নাইটহুড, ‘শেক্সপিয়ার ইন লাভ’র জন্য অস্কার এবং ২০২০ সালের ‘লিওপোল্ডস্ট্যাড’র জন্য অলিভিয়ার অ্যাওয়ার্ড ও চারটি টনি অ্যাওয়ার্ড।
আপন দেশ/এনএম
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































