ছবি: আপন দেশ
কুড়িগ্রামে প্রস্তাবিত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান পরিবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন ও র্যালি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, ধরলা ব্রিজ পূর্বপাড়ের আরাজি মৌজায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হলে শত শত বসতবাড়ি, হাজার হাজার মানুষের আবাসন ও বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
শুক্রবার (২২ মে) সকাল ১০টায় ধরলা ব্রিজ পূর্বপাড় এলাকায় কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন এলাকার সর্বস্তরের মানুষ। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, আব্দুল কাদের জিলানী, ডা. শাহানুর রহমান, জাহিদ হাসান, আলমগীর হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বক্তারা বলেন, শত বছরের পুরোনো বসতি ও কৃষকদের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন ফসলি জমি ধ্বংস করে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা কুড়িগ্রামে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিরোধিতা না করে দাবি জানান, এমন স্থানে বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করা হোক যেখানে অনাবাদি ও পতিত জমি রয়েছে এবং সাধারণ মানুষ উচ্ছেদের শিকার হবে না।
আরও পড়ুন<<>>ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে তীব্র যানযট
তারা আরও বলেন, আরাজি ভোগডাঙ্গা মৌজার অধিকাংশ জমির এসএ, সিএস ও আরএস রেকর্ড রয়েছে। তবে সামান্য কিছু জমির আরএস রেকর্ড না থাকলেও সেগুলোর মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। বক্তাদের দাবি, নদীভাঙনে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনেকের পূর্বপুরুষ সে সময় আরএস রেকর্ড সম্পন্ন করতে পারেননি। পরবর্তীতে তারা আইনি প্রক্রিয়ায় রেকর্ড সংশোধনের উদ্যোগ নেন।
মানববন্ধনে আব্দুল কাদের জিলানী বলেন, আমাদর পূর্বপুরুষরা নদীভাঙনের সঙ্গে লড়াই করে এ ভিটেমাটি টিকিয়ে রেখেছেন। তাই জীবিকার শেষ সম্বল ফসলি জমি ও বসতভিটা রক্ষায় আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো। কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পূর্ব নির্ধারিত বিকল্প স্থানে স্থাপনের দাবি জানাই।
এর আগে সকাল ৯টায় থেকে আরাজী ভোগডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সমবেত হোন মানুষজন। পরে সেখান থেকে র্যালি বের করে সড়ক প্রদক্ষিণ করে ধরলা ব্রীজ পূর্বপাড়ে কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের দুই ধারে দাঁড়িয়ে মানববন্ধন অংশ নেন স্থানীয়রা।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































