ছবি: সংগৃহীত
প্রতিবছর ৮ মে পালিত হয় বিশ্ব গাধা দিবস। মানুষের সভ্যতা ও শ্রমনির্ভর জীবনে গাধার অবদানকে স্বীকৃতি জানাতেই দিনটি পালন করা হয়।
এ দিবসের উদ্যোগ নেন মরু অঞ্চলের প্রাণী নিয়ে গবেষণা করা বিজ্ঞানী আর্ক রাজিক। তিনি লক্ষ্য করেছিলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষের কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও গাধা সবসময় অবহেলিত থেকে গেছে। পরে ২০১৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব গাধা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
আধুনিক গাধার উৎপত্তি আফ্রিকার বন্য গাধার সোমালি ও নুবিয়ান উপপ্রজাতি থেকে। বহু আগে, যখন বিদ্যুৎ বা যান্ত্রিক শক্তির ব্যবহার ছিল না। তখন মানুষের পরিবহন ও ভার বহনের অন্যতম প্রধান সহায়ক ছিল এ প্রাণী। দুর্গম পথ পাড়ি দেয়া, দীর্ঘসময় কাজ করা এবং কঠিন আবহাওয়ায় টিকে থাকার ক্ষমতার কারণে গাধা বিশেষভাবে পরিচিত।
আরও পড়ুন <<>> আজ বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস
গাধা সম্পর্কে কিছু উল্লেখযোগ্য তথ্যও রয়েছে— কিছু প্রজাতির গাধা ঘণ্টায় প্রায় ৩১ মাইল বেগে দৌড়াতে পারে। এদের গড় আয়ু প্রায় ৫০ থেকে ৫৪ বছর। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক দল ডেমোক্র্যাটদের দলীয় প্রতীকও এ গাধা।
বিশ্ব গাধা দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো এ পরিশ্রমী ও শান্ত প্রাণীর প্রতি মানুষের সহমর্মিতা ও সম্মান বৃদ্ধি করা। গাধাকে শুধু ভারবাহী প্রাণী হিসেবে নয়, মানবসভ্যতার দীর্ঘ ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সহযাত্রী হিসেবেও দেখা হয়।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































