Apan Desh | আপন দেশ

‘ক্রিকেট শব্দ লিখলেই আনফ্রেন্ড করতাম’

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮:৫২, ২০ ডিসেম্বর ২০২৩

‘ক্রিকেট শব্দ লিখলেই আনফ্রেন্ড করতাম’

সৌম্য সরকার। ফর্মে ছিল না। দলভুক্ত হয়েছেন প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের নেক চাওয়ার জন্য। বিশ্বকাপের আগের পরীক্ষায় ফেল করেছেন।

নিউজিল্যান্ড সফরে প্রথম ম্যাচে ফিরেন শূণ্য হাতে। রানের দেখা পেলেন দ্বিতীয় ম্যাচে। ব্যাট হাতে নিজের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলেছেন সৌম্য। বার বার দলে ফেরানো কোচ প্রসঙ্গে সৌম্য ধারণা, হয়তো ভালো কিছু আছে দেখেই হাথুরু দলে রাখেন কিংবা কোচ তাকে ভালো বুঝেন।

নিউজিল্যান্ড বিপক্ষে সিরিজে দ্বিতীয় ম্যাচে ওপেন করতে নেমে ১৬৯ রানের ইনিংস খেলেছন সৌম্য সরকার। যা বাংলাদেশের কোন ক্রিকেটারের ওয়ানডে ফরম্যাটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। ১৭৬ রানের ইনিংস নিয়ে এ তালিকায় শীর্ষে রছে লিটন দাস।

সৌম্যর অর্জিত ইনিংসের উপর ভর করে ২৯১ রানের পূঁজি গড়েছিল বাংলাদেশ। তবে ম্যাচটি হেরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ হার নিশ্চিত হয়ে গেছে টাইগারদের। ম্যাচ হারলেও সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার উঠেছে সৌম্যর হাতে। দীর্ঘ দিন পর রানে ফেরা সৌম্যকে পাঠানো হয়েছিল ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে।

সৌম্য বলেন, দেখতাম (নানা মন্তব্য), এখন সত্য কথা বলতে লাস্ট এক বছর আমার ফোনে কোন নিউজ আসে নাই। এমনকি যদি কোন ফেসবুক ফ্রেন্ড বা আমার কাছের কেউ ক্রিকেট নিয়ে কথা বললে আমি তার সঙ্গে থাকি নাই। সো, যে পজিটিভ কথা বলে আমি তার সঙ্গেই থাকি। আর পজিটিভগুলো নিয়েই চিন্তা করি। ভালো-খারাপ থাকবেই, কিন্তু খারাপ করলেও তো ক্রিকেট ছেড়ে চলে যেতে পারবো না, যেহেতু ক্রিকেট প্লেয়ার। ক্রিকেটের জন্যই এতদূর আসা, পরিশ্রম করতেছি ক্রিকেটের জন্যই।

এক প্রশ্নের জবাবে সৌম্য সরকার বলেন, হয়তোবা সে (চন্ডিকা হাথুরুসিংহে) আমাকে ভালো বুঝে.. সে জন্য। হয়তো এমন সময় এমন ছোট একটা জিনিস বলছে যেটা আমার জন্য ক্লিক করেছে। কিন্তু আমরা কিভাবে দেখি সেটা হচ্ছে বড় বিষয়।

তিনি বলেন, একটা মানুষের মধ্যে আপনি অনেক কিছু নেগেটিভিটি পাবেন। তো আপনি যদি শুধু নেগেটিভটাই দেখেন তাহলে শুধু নেগেটিভই দেখবেন। পজিটিভভাবে চিন্তা করলে হয়তো পজিটিভ জিনিসগুলোই পাবেন। উনি হয়তো আমার পজিটিভ জিনিটাই চিন্তা করেন।

দীর্ঘ দিন রান খরায় থাকায় নানা ধরনের মন্তব্য শুনতে হয়েছে। বিশেষ করে সামাজিত যোগাযোগ মাধ্যমে ক্রিকেট ভক্তরা সৌম্যকে নিয়ে নানা রকম মন্তব্য করেছেন। তবে এস থেকে নিজেকে দূরে রেখেছিলেন এই টাইগার ক্রিকেটার।

সৌম্য বলেন, দেখতাম (নানা মন্তব্য), এখন সত্য কথা বলতে লাস্ট এক বছর আমার ফোনে কোন নিউজ আসে নাই। এমনকি যদি কোন ফেসবুক ফ্রেন্ড বা আমার কাছের কেউ ক্রিকেট নিয়ে কথা বললে আমি তার সঙ্গে থাকি নাই। সো, যে পজিটিভ কথা বলে আমি তার সঙ্গেই থাকি। আর পজিটিভগুলো নিয়েই চিন্তা করি। ভালো-খারাপ থাকবেই, কিন্তু খারাপ করলেও তো ক্রিকেট ছেড়ে চলে যেতে পারবো না, যেহেতু ক্রিকেট প্লেয়ার। ক্রিকেটের জন্যই এতদূর আসা, পরিশ্রম করতেছি ক্রিকেটের জন্যই।

তিনি আরও বলেন, খারাপ খেললে তো সবারই খাপার লাগে, কিন্তু ভালো করতে আজকে হয়তো ওই কথাগুলো শোনা লাগতো না। তো ভালোর জন্য হয়তো বা....কিছু পেতে গেলে কিছু.... ঈশ্বর যেটা দিছে এটা নিয়েই সন্তুষ্ট। যেভাবে উনি (ঈশ্বর) দিচ্ছেন এর জন্য আমি কৃতজ্ঞ।

খারাপ সময়ে পাশে থেকে সাপোর্ট দেয়ার জন্য ফ্যামিলি এবং স্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সৌম্য সরকার। বলেন, প্রথমত ধন্যবাদ দেব আমার ফ্যামিলিকে, আমার ওয়াইফকে, যে সব সময় আমায় সাপোর্ট করছে। আমার টিমম্যাটকে, তারা তো আছেই। আসার পর থেকে যতটুকু প্র্যাকটিস করা সুযোগ পেয়েছি, অনেক সাপোর্ট করেছে, ছোট ছোট বিষয়গুলো ধরিয়ে দিচ্ছে, তো সব কিছু মিলে সবাই অনেক সাপোর্ট করতেছে।

আপন দেশ/এবি

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়