ছবি: আপন দেশ
আজ ০২ নভেম্বর (সোমবার), জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস। স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মৃত্যুর পর চক্ষুদানে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে প্রতিবছর এদিনে দিবসটি পালন করা হয়। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘রক্তদানে জীবনের জয়গান, চক্ষুদানে আলোর সন্ধান।
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস উপলক্ষে সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সোমবার সকাল ৯টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শোভাযাত্রা। এদিন সকাল ১০টায় বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচার হলে অনুষ্ঠিত হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
আরও পড়ুন<<>>বিশ্ব স্ট্রোক দিবস আজ
১৯৭৮ সালের ০২ নভেম্বর ডিএমসিএইচ ব্লাড ব্যাংকে সন্ধানী প্রথমবারের মতো স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৫ সালে সন্ধানী আয়োজিত প্রথম স্বেচ্ছায় রক্তদান অনুষ্ঠানটিকে স্মরণীয় করে রাখতে তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ০২ নভেম্বরকে ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষদান দিবস’ঘোষণা করেন।
বাংলাদেশে স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান আন্দোলনের ‘পথিকৃৎ’ সন্ধানী। রক্তদানের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি মানুষের চক্ষু ব্যাংক হিসেবেও কাজ করে থাকে। মৃত্যুর আগে স্বেচ্ছা প্রণোদিত চক্ষুদানের বিষয়ে উত্সাহ দিয়ে থাকে সন্ধানী, যাতে ভবিষ্যতে কেউ ব্যবহার করতে পারে সে চোখ।
সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি এ পর্যন্ত চার হাজার ২০৪টি কর্নিয়া সংগ্রহ করে। এর মাধ্যমে তিন হাজার ৫২৫ জন অন্ধ মানুষের চোখের দৃষ্টি ফিরিয়ে দিতে পেরেছে তারা। সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির মহাসচিব কো-অর্ডিনেটর সাইফুল ইসলাম বলেন, দেশে অন্ধ জনসংখ্যা প্রায় ১৪ লাখের মতো। তাদের মধ্যে পাঁচ লাখের মতো কর্নিয়াজনিত অন্ধ।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































