ছবি: সংগৃহীত
নেপালের সাধারণ নির্বাচনের প্রাথমিক গণনায় দেখা যাচ্ছে, তরুণ প্রজন্মের পছন্দের নতুন রাজনৈতিক দল, রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি) ব্যাপকভাবে এগিয়ে আছে। প্রাথমিক ফলাফলের ভিত্তিতে দলটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
আরএসপির প্রধান প্রার্থী কাঠমান্ডুর সাবেক মেয়র ও জনপ্রিয় র্যাপার বালেন্দ্র শাহ, যিনি ‘বালেন’ নামে পরিচিত, জেন-জি আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের অভ্যুত্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তরুণ প্রজন্মের একাংশ বালেন্দ্রকে ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাচ্ছে। দলের চেয়ারম্যান হলেন সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং প্রখ্যাত সাংবাদিক রবি লামিছানে।
প্রাথমিক গণনায় দেখা যাচ্ছে, বালেন্দ্র ঝাপা-৫ আসনে এগিয়ে আছেন, যেখানে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। নির্বাচনের ১৬৫টি আসনের মধ্যে ওলির দল শুধুমাত্র ৮টিতে এগিয়ে, আর আরএসপি ৯০টিতে। নেপালি কংগ্রেস ৯টিতে এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহাল ওরফে প্রচণ্ডের দল সাতটিতে এগিয়ে।
গত সেপ্টেম্বরে জেন-জি অভ্যুত্থানের কারণে ওলি সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার হিসেবে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কী দায়িত্ব নেন। এরপর নির্বাচন কমিশন ৫ মার্চ সাধারণ নির্বাচনের দিন ঘোষণা করে। লড়াইয়ে ছিল ৬৫টি রাজনৈতিক দল।
আরও পড়ুন <<>> ইরানের আবাসিক এলাকায় বিমান হামলা, নিহত ২০
নেপালের এ নির্বাচনের ফলাফলের সঙ্গে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলনা করলে দেখা যায়, সেখানে নতুন দল ও নতুন নেতার প্রতি মানুষের আস্থা বেশি। যেখানে বাংলাদেশে নতুন দল এনসিপি নির্বাচনের পর বিএনপির তুলনায় উল্লেখযোগ্য ফলাফল করতে পারেনি।
সংক্ষেপে, নেপালে নির্বাচনী পরিসর প্রমাণ করছে যে, দেশের তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব ও নতুন দলই ভোটারদের আস্থা অর্জন করছে।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































