ছবি: আপন দেশ
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী মো. সরদার সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, গত আট বছর দেশে অতি সংক্রামক হাম রোগের কোনো টিকাই দেয়া হয়নি। হামের টিকা কিনতে বর্তমান সরকার ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে বলেও তিনি জানান।
রোববার (২৯ মার্চ) রাজধানীর পূর্বাচলে বাংলাদেশ চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে আন্তর্জাতিক ওষুধ শিল্প মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মো. সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, মিজেলসের (হাম) রোগী অনেক বেড়েছে। আট বছর আগে মিজেলসের ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে। এরপর গভর্নমেন্ট কোনো ভ্যাকসিন দেয় নাই। আমরা কিন্তু এর মধ্যে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি। পারচেজ কমিটিতে পাস হয়েছে। ভ্যাকসিন আমরা যথাসময়ে কালেকশন করব এবং স্টার্ট করব।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন,ইনশাল্লাহ আমাদের ঢাকাতে ডিএনসিসি ওয়ার্ডগুলো সব রেডি করা হয়েছে। আইসিইউ রেডি করা হয়েছে। সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে আইসিইউ রেডি করা হয়েছে, সঙ্গে ভেন্টিলেটর। শিশু হাসপাতালে করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ঢাকা মেডিকেলে করা হয়েছে। মানিকগঞ্জ আট ইউনিটে করা হয়েছে। ডিএনসিসিতে করা হয়েছে। নর্থ বেঙ্গলে করা হয়েছে।
আরও পড়ুন <<>> ভুয়া ডাক্তার তৈরির কারখানা বন্ধ করতে হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
এছাড়া রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) জায়গা না পেয়ে একাধিক শিশুর মৃত্যুর ঘটনার পর সরকার পাঁচটি ভেন্টিলেটর দান পেয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, আজকে আমরা সেগুলো কালেক্ট করব। সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে আমাদের সচিব রাজশাহী যাচ্ছেন, উনি চারটে নিয়ে যাবেন ওখানে; ওখানে দিয়ে আসবেন।
ওষুধ প্রস্তুতকারকরা কিছুদিনের মধ্যে আরও ১২টির বেশি ভেন্টিলেটর সরকারকে ‘সরবরাহ করবে’ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এসব ভেন্টিলেটর হামের বিরুদ্ধের লড়াই চালাতে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়কে সহায়তা করবে।
শিশুদের ৯ মাস বয়সে হামের টিকার প্রথম ডোজ এবং ১৫ মাস বয়সে দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হয়। অন্যদিকে ক্যাম্পেইনের সময় ৯ মাস বয়স থেকে ১০ বছরের সব শিশুকে টিকা দেয়া হয়। টিকা কর্মসূচির কারণে দেশে হামের প্রকোপ কমে এসেছিল। কিন্তু এ বছর তা নতুন করে বেড়েছে।
আপন দেশ/এসএস




































