ছবি: আপন দেশ
নেত্রকোণার মদনে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মাদ্রাসাশিক্ষক আমানউল্লাহ সাগরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (০৭ মে) নেত্রকোনা অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে বিচারক আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নূরুল কবীর রুবেল ও মদন থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতার মাদ্রাসাশিক্ষক নেত্রকোনার মদনে একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসার পরিচালক ও শিক্ষকতার পাশাপাশি মসজিদে ইমামতিও করেন। তিনি উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা।
আরও পড়ুন<<>অনলাইনে জুয়া খেলায় যুবককে জেল-জরিমানা
ভুক্তভোগী শিশুটি স্বামী পরিত্যক্তা নারীর একমাত্র সন্তান। জীবিকার তাগিদে শিশুটির মা সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করেন। শিশুটি তার নানির কাছে থেকে ওই মাদ্রাসায় লেখাপড়া করত।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, আমান উল্লাহ সাগর গত বছরের ০২ অক্টোবর মাদ্রাসা ছুটি শেষে শিশুটিকে ঝাড়ু দিতে বলেন। এ সময় একটি কক্ষে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন তিনি। ভয়ে পরিবারের কাউকে বিষয়টি জানায়নি শিশুটি। সম্প্রতি শিশুটির শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন দেখে শিশুটির মা ১৮ এপ্রিল মদনের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেন। সেখানে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে জানা যায়, শিশুটি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। পারিবারিক জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটি সেদিনের ঘটনা বলে দেয়। এ ঘটনায় ২৩ এপ্রিল রাতে শিশুটির মা বাদী হয়ে মদন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
শিশুটির মা বলেন, মেয়েডারে আমার বাপের বাড়িতে থইয়্যা মাদ্রাসায় লেখাপড়া করাতে দিছিলাম। কিন্তু হুজুর আমার এ শিশু বাচ্চাটার সঙ্গে এমন কাজটি করল! এ নরপিশাচের উপযুক্ত শাস্তি চাই।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































