হাসান মাহমুদ রাজা ও মইনুদ্দিন হাসান রশিদ। ছবি: সংগৃহীত
শেয়ারবাজারে অনিয়ম ও কারসাজির অভিযোগে অনুসন্ধানের আওতায় এসেছেন দুই ব্যক্তি। তারা হলেন ইউনাইটেড গ্রুপের প্রধান উপদেষ্টা হাসান মাহমুদ রাজা এবং ইউনাইটেড এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের (ইউইসিএল) চেয়ারম্যান মইনুদ্দিন হাসান রশিদ।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্বাহী পরিচালক মো. আবুল কালাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তালিকাভুক্ত ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ইউপিজিডিসিএল), খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (কেপিসিএল) ও অন্যান্য কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে অভ্যন্তরীণ তথ্যের অপব্যবহার, কারসাজি এবং অন্যের নামে খোলা বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাব ব্যবহার করে প্রকৃত মালিকানা গোপনের অভিযোগ খতিয়ে দেখবে কমিশন।
সম্প্রতি বিএসইসির মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন থেকে সংশোধিত অনুসন্ধান আদেশ জারি করা হয়েছে। এতে তিন কর্মকর্তাকে নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন কমিশনের পরিচালক মোহাম্মদ শামসুর রহমান, যুগ্ম পরিচালক জিয়াউর রহমান ও সহকারী পরিচালক আলী আহসান।
তাদের ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে অনুসন্ধান শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
এম. এম. হাবিবুল্লাহ ও নুরুজ্জামান জিন্নাহর দাখিল করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগগুলো অনুসন্ধান করা হচ্ছে। এতে সংশ্লিষ্ট শেয়ার কেনাবেচায় কার অর্থ ব্যবহৃত হয়েছে, কোন বিও হিসাবের মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে। শেয়ার বিক্রির অর্থ ও লভ্যাংশের প্রকৃত সুবিধাভোগী কারা, এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হবে।
আরও পড়ুন <<>> কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুতে জোর, সহযোগিতার আশ্বাস বিএসইসির
এ জন্য অভিযোগকারী, তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, আত্মীয়স্বজন, কর্মচারী, সহযোগী এবং ইউইসিএলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিও হিসাব, শেয়ার লেনদেনের হিসাব ও ব্যাংক হিসাব পরীক্ষা করা হবে। শেয়ার কেনার অর্থের উৎস, এক হিসাব থেকে অন্য হিসাবে অর্থ স্থানান্তর এবং ইউইসিএল বা সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে অর্থ সরবরাহ করা হয়েছিল কি না, তাও অনুসন্ধানের আওতায় থাকবে।
পাশাপাশি শেয়ার লেনদেনে কৃত্রিম চাহিদা সৃষ্টি, সমন্বিতভাবে লেনদেন পরিচালনা কিংবা প্রতারণামূলক উপায়ে বাজার প্রভাবিত করার ঘটনা ঘটেছে কি না, তা যাচাই করা হবে। কোম্পানি সম্পর্কে জনসাধারণের জন্য অপ্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ব্যবহার করে শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে কি না, সেটিও পরীক্ষা করবে কমিটি।
অনুসন্ধানে হাসান মাহমুদ রাজা ও মইনুদ্দিন হাসান রশিদের ভূমিকা বিশেষভাবে যাচাইয়ের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে, এমন সিদ্ধান্ত এখনো আসেনি। অনুসন্ধানে প্রয়োজন হলে অভিযোগকারী এম. এম. হাবিবুল্লাহ ও নুরুজ্জামান জিন্নাহসহ সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে।
আপন দেশ/কেএম/এসএস
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































