ছবি: বাফুফে
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারত। নির্ধারিত নব্বই মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই। ফলে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। এ ভাগ্য পরীক্ষায় জিতে যায় লাল সবুজের যুবারা। ২০ কোটি মানুষের স্বপ্ন পূরণের আনন্দে মেতে উঠেন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ তারকারা।
শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) মালদ্বীপের রাজধানী মালের জাতীয় স্টেডিয়ামে টাইব্রেকারে বাংলাদেশের জয় ৪-৩ গোলে। এ জয়ের নায়ক গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন মাহিন। ভারতের প্রথম শট ডান দিকে ঝাঁপিয়ে আটকে সুর বেঁধে দেন তিনি। তরুণ এ গোলরক্ষক জানালেন সে সময়ের অনুভূতি। অসাধারণ। মনে হচ্ছিল, যেন ২০ কোটি মানুষের স্বপ্নটাকে আমি পূরণ করতে পারছি।
টাইব্রেকারে বাংলাদেশের প্রথম শটে লক্ষ্যভেদ করা মুর্শেদ আলি উচ্ছ্বাস প্রকাশের ভাষাই খুঁজে পাচ্ছেন না। খুবই এক্সাইটেড ছিলাম, খুবই রোমাঞ্চিত! আর কী বলব, বলার মতো ভাষা নাই। আমরা ইনশাল্লাহ এইবার চ্যাম্পিয়ন, ইনশাল্লাহ। ভামোস! দেশবাসীর সাথে দেখা হচ্ছে!
আরও পড়ুন<<>>ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ
টাইব্রেকারে জালের দেখা পাওয়া আব্দুল রিয়াদ ফাহিম অনুভব করছেন ‘স্বপ্নের ফাইনাল’ জয়ের আনন্দ। স্বপ্নের ফাইনাল…আলহামদুলিল্লাহ। সবার আগে আল্লাহর কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া, আজকে আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছি। আজকের জয় আমরা পুরা দেশবাসীকে উৎসর্গ করলাম।
এমন প্রাপ্তির ক্ষণে অধিনায়ক মিঠু চৌধুরীর মনে পড়ছে গ্রুপ পর্বে ভারত ম্যাচে পাওয়া চোটে দলের বাইরে চলে যাওয়া সতীর্থ আশিকুর রহমানের কথা। ফাইনাল জেতা... মানে আমি চার বছর ধরে এটা চাচ্ছি। আল্লাহ আমাদেরকে দিয়েছেন আজকে। কিন্তু আমি একজনকে খুবই মিস করছি। আমার বন্ধু আশিক, ওর সঙ্গে ম্যাচ খেলছি চার-পাঁচটা। চার বছর ধরে…ও থাকলে আরও বেশি আনন্দ হতো। ও নাই, তারপরও আমি ওকে এ ট্রফিটা উৎসর্গ করতে চাই।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































