ছবি: আপন দেশ
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় পশুর বর্জ্য অপসারণে প্রায় ১৬ হাজার কর্মী প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এসব কর্মী মাঠ পর্যায়ে বর্জ্য অপসারণে কাজ করবেন।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে নগরবাসীর সুষ্ঠু, স্বাস্থ্যকর ও নির্বিঘ্ন উৎসব নিশ্চিত করতে ডিএনসিসি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবহন, প্রকৌশল ও সম্পত্তি বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব খাতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।
ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান জানান, গত বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে এবারও কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ঈদে প্রায় ২০ হাজার ৮৮৯ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়। এবারও প্রায় একই পরিমাণ বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
ডিএনসিসির উপ-প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. মফিজুর রহমান ভূঁইয়া জানান, মাঠ পর্যায়ে নিজস্ব প্রায় সাড়ে ৬ হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী এবং বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহে আরও সাড়ে ৪ হাজার কর্মী কাজ করবেন। এছাড়া প্রায় সাড়ে ৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবক মনিটরিংয়ে যুক্ত থাকবেন। সব মিলিয়ে প্রায় ১৬ হাজার জনবল মাঠে থাকবে।
ঈদের দিন দুপুরে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে। এ কাজে দ্রুত অপসারণ নিশ্চিত করতে ১৬ লাখ ৩০ হাজার পলিব্যাগ বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি ব্লিচিং পাউডার, ফিনাইল ও স্যাভলন সরবরাহ রাখা হয়েছে।
এছাড়া বর্জ্য অপসারণে ৭৫২টি যানবাহন ও বিভিন্ন ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে ট্রাক, ডাম্পার, পে-লোডার, এক্সক্যাভেটর ও সুইপার।
নগরজুড়ে মনিটরিংয়ের জন্য ১০টি জোনে ১০টি টিম গঠন করা হয়েছে এবং কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে।
ডিএনসিসি জানিয়েছে, নগরবাসীর সহযোগিতা পেলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বর্জ্যমুক্ত ঢাকা উত্তর সিটি উপহার দেয়া সম্ভব হবে। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় পশুর বর্জ্য অপসারণে প্রায় ১৬ হাজার কর্মী প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এসব কর্মী মাঠ পর্যায়ে বর্জ্য অপসারণে কাজ করবেন।
আরও পড়ুন <<>> জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে নামাজ পড়বেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী
ঈদুল আজহা উপলক্ষে নগরবাসীর সুষ্ঠু, স্বাস্থ্যকর ও নির্বিঘ্ন উৎসব নিশ্চিত করতে ডিএনসিসি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবহন, প্রকৌশল ও সম্পত্তি বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব খাতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।
ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান জানান, গত বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে এবারও কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ঈদে প্রায় ২০ হাজার ৮৮৯ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়। এবারও প্রায় একই পরিমাণ বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
ডিএনসিসির উপ-প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. মফিজুর রহমান ভূঁইয়া জানান, মাঠ পর্যায়ে নিজস্ব প্রায় সাড়ে ৬ হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী এবং বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহে আরও সাড়ে ৪ হাজার কর্মী কাজ করবেন। এছাড়া প্রায় সাড়ে ৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবক মনিটরিংয়ে যুক্ত থাকবেন। সব মিলিয়ে প্রায় ১৬ হাজার জনবল মাঠে থাকবে।
ঈদের দিন দুপুরে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে। এ কাজে দ্রুত অপসারণ নিশ্চিত করতে ১৬ লাখ ৩০ হাজার পলিব্যাগ বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি ব্লিচিং পাউডার, ফিনাইল ও স্যাভলন সরবরাহ রাখা হয়েছে।
এছাড়া বর্জ্য অপসারণে ৭৫২টি যানবাহন ও বিভিন্ন ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে ট্রাক, ডাম্পার, পে-লোডার, এক্সক্যাভেটর ও সুইপার।
নগরজুড়ে মনিটরিংয়ের জন্য ১০টি জোনে ১০টি টিম গঠন করা হয়েছে এবং কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে।
ডিএনসিসি জানিয়েছে, নগরবাসীর সহযোগিতা পেলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বর্জ্যমুক্ত ঢাকা উত্তর সিটি উপহার দেয়া সম্ভব হবে।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































