Apan Desh | আপন দেশ

এলএনজি আমদানিতে স্বস্তি, জ্বালানি সরবরাহে গতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ২২:১৫, ২ অক্টোবর ২০২৬

এলএনজি আমদানিতে স্বস্তি, জ্বালানি সরবরাহে গতি

ফাইল ছবি

দেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) আরও একটি কার্গো পৌঁছেছে। দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতিতে এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি করা ‘ওয়েন চেং’ নামের এলএনজিবাহী জাহাজটি মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনালে পৌঁছেছে। এরপর থেকে এলএনজি খালাস শুরু হয়েছে। বৈশ্বিক বাজার থেকে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখার এ উদ্যোগ দেশের গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকারের চলমান প্রচেষ্টার অংশ।

শুক্রবার (০২ অক্টোবর) সকাল ৮টা ৫৪ মিনিটে জাহাজটির সঙ্গে টার্মিনালের প্রথম সংযোগ স্থাপন করা হয়। এরপরই শুরু হয় এলএনজি স্থানান্তরের কার্যক্রম। স্পট মার্কেট থেকে বিপি সিঙ্গাপুরের মাধ্যমে কেনা হয়েছে এ চালান। নতুন এ কার্গো জাতীয় গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় যুক্ত হলে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও অন্যান্য খাতে গ্যাসের চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসেও বিভিন্ন উৎস থেকে একাধিক এলএনজিবাহী কার্গো দেশে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে গানভোর, ইন্দোনেশিয়া থেকে টোটালএনার্জির মাধ্যমে এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে আরামকো সিঙ্গাপুরের মাধ্যমে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনা হয়েছে। বিভিন্ন দেশ ও সরবরাহকারীর কাছ থেকে জ্বালানি সংগ্রহের এ ধারাবাহিকতা দেশের জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আরও পড়ুন<> রেমিট্যান্সে স্বস্তি, সেপ্টেম্বরে এলো ৩৪ হাজার কোটি টাকা

এদিকে অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে মোট ১৯ কার্গো এলএনজি আমদানির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পেট্রোবাংলা। এর মধ্যে অক্টোবরে ১০টি এবং নভেম্বরে ৯টি কার্গো দেশে আসার কথা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, নাইজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলাসহ বিভিন্ন দেশ থেকে এসব এলএনজি আমদানি করা হবে। নির্ধারিত চালানগুলো সময়মতো দেশে পৌঁছালে জাতীয় গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় আমদানিকৃত গ্যাসের অবদান অব্যাহত থাকবে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, ১ অক্টোবর দুপুর ২টার হিসাব অনুসারে দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৬২৫ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে সরবরাহ করা হয়েছে ১ হাজার ৬১০ মিলিয়ন ঘনফুট। আমদানি করা এলএনজি থেকে এসেছে ১ হাজার ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।

সব মিলিয়ে, নতুন এলএনজি কার্গোর আগমন এবং আগামী দুই মাসের আমদানি পরিকল্পনা দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে গ্যাসের চাহিদা পূরণে এসব চালান সহায়ক হতে পারে। তবে সরবরাহ পরিস্থিতির প্রকৃত উন্নতি নির্ভর করবে আমদানির সময়সূচি, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন এবং সামগ্রিক চাহিদার ওপর।

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়