ছবি: আপন দেশ
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনা ও বিদেশি বিনিয়োগ প্রসঙ্গে রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন, সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে চট্টগ্রাম বন্দরের বে টার্মিনাল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আমাদের বাণিজ্যের বা অর্থনীতির প্রায় ৯২ শতাংশ নির্ভর চট্টগ্রামের ওপর। আমাদের রফতানি আয় বাড়ানোর একটা বড় টার্গেট রয়েছে। সে ক্ষেত্রে এ বন্দর ফাংশন করানোর প্রয়োজন রয়েছে। বিদেশের অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠানও বাংলাদেশের এ বন্দরকে কেন্দ্র করে ইনভেস্টমেন্টে আগ্রহী। তাদের স্টাডিতেও এখানে বড় সম্ভাবনার কথা এসেছে।
বে টার্মিনাল প্রকল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বে টার্মিনালকে তিনটি অংশে ভাগ করা হয়েছে—ওয়ান, টু, থ্রি। ওয়ানে সিঙ্গাপুর আসছে, টু নিয়ে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে আমাদের মোটামুটি একটা আন্ডারস্ট্যান্ডিং আছে। থার্ড অংশে সৌদি আরবের একটি প্রতিষ্ঠান কাজ করতে চাচ্ছে।
আরও পড়ুন<<>>‘কৃষকের অর্থনীতি শক্তিশালী হলে সামগ্রিক অর্থনীতি মজবুত হবে’
লালদিয়া টার্মিনাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, লালদিয়াতে আমরা গিয়েছি। সেখানে এপিএম টার্মিনাল রয়েছে, তারা এ ধরনের কাজ করছে। এ সুযোগগুলো কাজে লাগাতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এ সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশের পোর্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার উন্নত হবে, বন্দর আধুনিকায়ন হবে এবং বন্দর থেকে সর্বাধিক উপার্জন নিশ্চিত করা যাবে। আমদানি-রফতানি বাড়ানো প্রয়োজন। আমরা রফতানিকে বহুমুখীকরণ করতে চাই, শুধুমাত্র গার্মেন্টস নির্ভর না থেকে অন্যান্য খাতে যেতে হলে এসব সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
সরকার এসব প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এটা আমাদের সরকারের কাছে প্রাধান্য পাচ্ছে। সে কারণেই প্রকল্পগুলো গ্রহণ করা হয়েছে এবং বাস্তবায়নের দিকে যাচ্ছে। আমরা বাস্তবে এসে দেখে আরও ভালোভাবে বুঝছি, যাতে দ্রুততম সময়ে কীভাবে ফাংশন করানো যায় সে লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে একটি কর্মকৌশল নির্ধারণ করা যায়।
আপন দেশ/এসআর
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































