Apan Desh | আপন দেশ

জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১০:৫৫, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ১১:১৭, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত

ছবি : আপন দেশ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর ঘটনায় শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে নির্বাচন কমিশনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে আরপিও অনুযায়ী নির্বাচন স্থগিতের কথা জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি জানান, শেরপুর-৩ আসনের বৈধ প্রার্থী মারা যাওয়ায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী ওই আসনের সংসদ নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে মারা গেছেন জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১)। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। 

এছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ নেয়ার পথে রাত ৩টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন<<>>জামায়াতের এমপি প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যু

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৭-এর ১ উপধারায় বলা হয়েছে, যদি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর এবং ভোট গ্রহণের আগে কোনো বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী মৃত্যুবরণ করেন, তবে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল বা স্থগিত করতে হবে। 

আইন অনুযায়ী, এ ক্ষেত্রে প্রার্থীকে অবশ্যই নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ‘বৈধ প্রার্থী’ হিসেবে স্বীকৃত হতে হবে। প্রার্থীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা একটি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওই আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম বাতিলের ঘোষণা দেবেন এবং পরবর্তী সময়ে কমিশন নতুন তফসিল ঘোষণা করবে।

তবে আইনে কিছু বিশেষ ব্যতিক্রমও রয়েছে। যদি মৃত ব্যক্তি বৈধ প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত হওয়ার আগেই মারা যান অথবা ওই আসনে একই দলের বিকল্প কোনো বৈধ প্রার্থী বিদ্যমান থাকে, তবে নির্বাচন স্থগিত করার প্রয়োজন পড়ে না।

আপন দেশ/জেডআই

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়