Apan Desh | আপন দেশ

ঘুম থেকে উঠেই মুখ শুকিয়ে যায় কেন?

আপন দেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩:৫১, ৩০ আগস্ট ২০২৬

আপডেট: ২৩:৫২, ৩০ আগস্ট ২০২৬

ঘুম থেকে উঠেই মুখ শুকিয়ে যায় কেন?

ছবি: সংগৃহীত

ঘুম থেকে ওঠার পর প্রায়ই মুখ শুকনো অনুভূত হয়? প্রতিদিন এমন হলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক না। দীর্ঘদিন মুখের শুষ্কতা থাকলে অস্বস্তির পাশাপাশি দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্যের ওপরও খারাপ প্রভাব পড়তে পারে।

শরীরে পানির ঘাটতি, নির্দিষ্ট কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কিংবা লালা উৎপাদন কমে যাওয়ার কারণে মুখ শুকিয়ে যেতে পারে। এছাড়া ডায়াবেটিস ও কিছু অটোইমিউন রোগের সঙ্গেও মুখের শুষ্কতার সম্পর্ক রয়েছে। তাই সমস্যাটি বারবার হলে এর প্রকৃত কারণ শনাক্ত করা জরুরি।

ঘরের বাতাস অতিরিক্ত শুষ্ক হলে রাতে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার কিছুটা আরাম দিতে পারে। এটি বাতাসের আর্দ্রতা বাড়ায়। ফলে মুখ ও গলার শুষ্কতাও তুলনামূলক কম অনুভূত হতে পারে। শীতকালে কিংবা দীর্ঘ সময় এসি চলা ঘরে হিউমিডিফায়ার বিশেষভাবে উপকারী হতে পারে।

তবে সব ধরনের মুখের শুষ্কতা দূর করার সমাধান হিউমিডিফায়ার নয়। ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, মুখ দিয়ে শ্বাস নেয়া, নাক ডাকা কিংবা কোনো শারীরিক সমস্যার কারণে মুখ শুকিয়ে গেলে শুধু হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করে মূল সমস্যা দূর করা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন <<>> জিনিয়াস শেফের আয়োজনে বেকিং কর্মশালা

হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করলে ঘরের আর্দ্রতা সাধারণত ৪০ থেকে ৬০ শতাংশের মধ্যে রাখা ভালো। কারণ অতিরিক্ত আর্দ্রতাও ক্ষতির কারণ হতে পারে। ঘরে আর্দ্রতা বেশি থাকলে ছত্রাক জন্মানোর উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়। তাই হিউমিডিফায়ার নিয়মিত পরিষ্কার করা এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত আর্দ্রতা না বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ।

দীর্ঘদিন মুখ শুকিয়ে থাকলে মুখগহ্বরের স্বাভাবিক সুরক্ষা কমে যেতে পারে। এতে দাঁতে ক্যাভিটি, মাড়ির সমস্যা, মুখে দুর্গন্ধ ও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। পাশাপাশি খাবার চিবানো, কথা বলা কিংবা খাবার গিলতেও অস্বস্তি হতে পারে।

মুখের শুষ্কতা কয়েক সপ্তাহ ধরে অব্যাহত থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। মুখে ঘা, খাবার গিলতে সমস্যা কিংবা অস্বাভাবিক তৃষ্ণার মতো উপসর্গ দেখা দিলেও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

প্রতিদিন সকালে মুখ শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যা হলে শুধু হিউমিডিফায়ারের ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়। পর্যাপ্ত পানি পান করার পাশাপাশি সমস্যার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে হবে। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পদক্ষেপ।

 

আপন দেশ/এসএস

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়