ছবি: সংগৃহীত
দেশজুড়ে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। এ রোগে নিয়মিত প্রাণহানিও ঘটছে। সন্ধ্যা নামতেই ঘরের আনাচে-কানাচে বেড়ে যায় মশার উপদ্রব। শুরু হয় কামড়। তবে এ পতঙ্গের কামড় মানেই আতংকের কারণ।
এর মাধ্যমে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ও চিকুনগুনিয়ার মতো রোগ ছড়াতে পারে। তাই মশা ঘরে ঢোকার পর তাড়ানোর চেয়ে আগে থেকেই মশার প্রজনন ও প্রবেশের সুযোগ বন্ধ করা জরুরি।
বাড়ির কোথাও জমা পানি রাখবেন না: মশার বংশবিস্তারের অন্যতম প্রধান জায়গা জমে থাকা পানি। ফুলের টবের নিচের পাত্র, বালতি, পুরোনো কুলার, বন্ধ নালা কিংবা বৃষ্টির পানি জমে থাকা যেকোনো পাত্রে মশা ডিম পাড়তে পারে।
তাই বাড়ির চারপাশ নিয়মিত পরীক্ষা করুন। জমে থাকা পানি ফেলে দিন। পাত্রগুলো পরিষ্কার রাখুন। সম্ভব হলে সপ্তাহে অন্তত দুইবার এ কাজ করুন।
জানলা-দরজার কাছে রাখতে পারেন কিছু গাছ: জানলা, দরজা ও বারান্দার কাছে গাঁদা, লেমনগ্রাস, তুলসী ও পুদিনার মতো গাছ রাখা যেতে পারে। এসব গাছের প্রাকৃতিক তেল মশাকে দূরে রাখতে কিছুটা সহায়তা করতে পারে।
গাছের কয়েকটি পাতা হালকা হাতে ঘষে দিলে এর প্রাকৃতিক গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন <<>> উচ্চ কোলেস্টেরলে যে তেল হতে পারে স্বাস্থ্যবান্ধব
সাবান মেশানো পানির ফাঁদ: একটি ছড়ানো পাত্রে পানি নিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা সাধারণ বাসন ধোয়ার তরল মিশিয়ে রাখতে পারেন। মশা ওই পানির ওপর বসলে সাবান পানির ওপরিভাগের টান কমিয়ে দেয়। ফলে মশা পানিতে ডুবে যেতে পারে।
মশার আনাগোনা বেশি এমন জায়গায় এ ধরনের পাত্র রাখা যেতে পারে।
লেবু ও লবঙ্গ: একটি লেবু মাঝখান থেকে কেটে তার মধ্যে কয়েকটি লবঙ্গ গুঁজে দিন। এরপর এটি জানলার ধারে, খাবার টেবিলের কাছে কিংবা মশার আনাগোনা বেশি এমন জায়গায় রাখতে পারেন।
লেবু ও লবঙ্গের গন্ধ মশার কাছে অপছন্দনীয় বলে মনে করা হয়।
ঘরে ফ্যান চালিয়ে রাখুন: মশা খুব শক্তিশালী উড়ন্ত পোকা নয়। তাই ফ্যানের বাতাসের কারণে মশার উড়ে এসে শরীরে বসা কঠিন হয়ে পড়ে।
তবে এসব পদ্ধতি মশার সংখ্যা বা কামড় কমাতে কিছুটা সহায়তা করলেও এগুলোকে সম্পূর্ণ সুরক্ষার বিকল্প হিসেবে ধরা উচিত নয়। বাড়িতে মশার উপদ্রব বেশি হলে প্রয়োজনীয় মশা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নিতে হবে। জ্বর বা অন্য কোনো উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়াও জরুরি।
আপন দেশ/এসএস





































