ছবি: সংগৃহীত
শীতকালে অনেকেই পানি পান করতে ভুলে যান। ঠান্ডার প্রভাবে শরীর তৃষ্ণা কম অনুভব করে। ঘাম হলেও তা সহজে চোখে পড়ে না। ফলে পানিশূন্যতার ঝুঁকি নীরবে বাড়তে থাকে।
শীতে তৃষ্ণার অনুভূতি কমে যায়। ঠান্ডা আবহাওয়ায় শরীর স্বাভাবিকের মতো পানি চাওয়ার সংকেত দেয় না। এতে প্রয়োজনের তুলনায় কম পানি পান করা হয়।
হাঁটা বা কাজের সময় শীতেও শরীর ঘামে। তবে ঠান্ডার কারণে সে ঘাম দ্রুত শুকিয়ে যায়। তাই শরীর থেকে পানি বেরিয়ে গেলেও তা অনেক সময় বোঝা যায় না।
শীতের বাতাস সাধারণত শুষ্ক থাকে। এ শুষ্কতা ত্বক ও শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীরের পানি ক্ষয় বাড়ায়। ফলে পানিশূন্যতার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
আরও পড়ুন <<>>ওজন কমাতে যেভাবে আদা খাবেন
গরম পোশাক বেশি পরা বা ঘরে হিটার ব্যবহারেও শরীর গরম হয়ে ওঠে। এতে ঘাম বাড়ে এবং শরীর আরও পানি হারায়। বিষয়টি অনেক সময় নজরে আসে না।
শীতে চা ও কফি পান করার প্রবণতাও বেড়ে যায়। এগুলো মূত্রবর্ধক হওয়ায় শরীর থেকে তরল বের হওয়ার হার বৃদ্ধি পায়। এর প্রভাব পড়ে পানির ভারসাম্যে।
তাই শীতকালেও নিয়মিত পানি পান করা জরুরি। পাশাপাশি স্যুপ, ফল এবং বিভিন্ন তরল খাবার শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সহায়তা করে। এতে পানিশূন্যতার ঝুঁকি অনেকটাই কমে।
আপন দেশ/এসএস




































