ছবি: সংগৃহীত
রমজান মাসে দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন আসে। সেহরি, ইফতার ও তারাবির কারণে স্বাভাবিক ঘুমের সময় কমে যায়। অনেকেই ক্লান্তি, মাথাব্যথা ও মনোযোগের ঘাটতিতে ভোগেন। তবে কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে এ সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
ঘুমের ঘাটতি সামলানোর উপায়
ঘুম ভাগ করে নিন: রাতে টানা ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম সম্ভব না হলে অন্তত ৪–৫ ঘণ্টা রাতের ঘুম নিশ্চিত করুন। এর সঙ্গে দিনে ৩০–৬০ মিনিটের ছোট ঘুম বা পাওয়ার ন্যাপ শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
সেহরির পর বিশ্রাম নিন: সেহরি ও ফজরের নামাজ শেষে সুযোগ থাকলে ৩০–৪৫ মিনিট ঘুমালে শরীরের শক্তি কিছুটা ফিরে আসে।
ক্যাফেইন গ্রহণ কমান: ইফতারের পর অতিরিক্ত চা বা কফি ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়। বিশেষ করে রাতে তারাবির পর ক্যাফেইন এড়িয়ে চলা ভালো।
হালকা খাবার বেছে নিন: ইফতারে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও ভারী খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করে। এতে ঘুমও ব্যাহত হয়। খাদ্যতালিকায় খেজুর, ফল, পানি ও হালকা প্রোটিন রাখার পরামর্শ দেয়া হয়।
আরও পড়ুন <<>> রমজানে ত্বক সতেজ-উজ্জ্বল করুন ৪ নিয়মে
নির্দিষ্ট রুটিন বজায় রাখুন: প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস তৈরি করলে শরীর দ্রুত নতুন সময়সূচির সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে।
ঘুমের আগে স্ক্রিন ব্যবহার কমান: ঘুমানোর আগে দীর্ঘ সময় মোবাইল বা টিভি ব্যবহার করলে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে। তাই অন্তত ৩০ মিনিট আগে স্ক্রিন ব্যবহার বন্ধ রাখা উচিত।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন: পানিশূন্যতা ক্লান্তি বাড়ায়। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করলে শরীর ভালো থাকে এবং ঘুমের মান উন্নত হয়।
কখন সতর্ক হবেন
দীর্ঘদিন ঘুমের ঘাটতির কারণে মাথা ঘোরা, বুকে ধড়ফড়, অতিরিক্ত ক্লান্তি বা মনমরা ভাব দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন।
রমজান ইবাদতের মাস। সুস্থ শরীর থাকলেই ইবাদতে মনোযোগ দেয়া সম্ভব। তাই পরিকল্পিত জীবনযাপন ও সচেতনতার মাধ্যমে ঘুমের ঘাটতি সামলে সুস্থ থাকা জরুরি।
আপন দেশ/এসএস




































