Apan Desh | আপন দেশ

ভারতের ভোটের রাজনীতি, গণতন্ত্রই কাঠগড়ায় 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ২০:২৫, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ২০:২৬, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের ভোটের রাজনীতি, গণতন্ত্রই কাঠগড়ায় 

ছবি: সংগৃহীত

নিরপেক্ষতা নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। যার প্রভাবে দেশটির গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাই এখন বিতর্কের মুখে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১০ মাসে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশী বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপত্তি জানান। এ আপত্তি এক বা দুই বার না, অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন তারা। তারা অভিযোগ করেছেন, কিছু সিদ্ধান্ত তাদের না জানিয়েই নেয়া হয়েছে।

আর এসব আপত্তি তারা জানিয়েছেন ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে। যেখানে কোটি কোটি নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়। সব মিলিয়ে দেশটির গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এখন তুমুল বিতর্কের মুখে। কেননা, যে প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতার রক্ষক, সেখান থেকেই ওঠছে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন। তাও আবার প্রশ্ন তুলেছেন খোদ কমিশনাররা।

এ বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর), যার মাধ্যমে ভোটার তালিকা পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের দাবি, মৃত, স্থানান্তরিত, দ্বৈত নিবন্ধিত ও অযোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দিতেই এ উদ্যোগ। তবে ৩০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের খসড়া তালিকা থেকে ১৩ কোটির বেশি নাম বাদ দেয়া হয়। যার কারণে বহু মানুষ ভোটাধিকার হারান।

বিরোধীদের অভিযোগ, এ প্রক্রিয়ায় বিজেপি রাজনৈতিক সুবিধা পেতে পারে। যদিও বিজেপি ও নির্বাচন কমিশন অভিযোগটি অস্বীকার করেছে।

আরও পড়ুন <<>> বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় লাফ

এছাড়া নতুন ভোটার নিবন্ধনের ফরম-৬-এ পরিবর্তন, ভোটার তথ্যভাণ্ডারের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ এবং সফটওয়্যারের সীমাবদ্ধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। গোয়ায় ৯৭ জনকে স্থানীয় কর্মকর্তারা ভোটার হিসেবে যোগ্য ঘোষণা করলেও সফটওয়্যারে তাদের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি। ফলে তাদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় ওঠেনি।

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের মাধ্যমে ২৭ লাখের বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়ে। তাদের মধ্যে প্রায় ২২ লাখ আপিল করেন। বিষয়টি তদারকিতে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপও প্রয়োজন হয়।

নির্বাচন কমিশনের দাবি, অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য স্বাভাবিক। গত এক বছরে নেয়া সিদ্ধান্তগুলো সর্বসম্মত ছিল। অন্যদিকে, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছে।

আপন দেশ/এসএস

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়