ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র কিউবায় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে— এমন এক গুঞ্জন উঠেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। এক্সিওসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সাম্প্রতিক বক্তব্য থেকে কিউবার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন কিউবা সরকারের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। সামরিক হুমকির বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। তবে কিউবায় হামলার কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা সরাসরি পরিকল্পনার কথা যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ করেনি।
ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে ১৯৬২ সালের কিউবান ক্ষেপণাস্ত্র সংকট আবারও আলোচনায় এসেছে। সে সময় তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন কিউবায় পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করলে যুক্তরাষ্ট্র সেটিকে নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখবে। দেশটি নৌ অবরোধ আরোপও করে বলে জানিয়েছে।
সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারি থেকে কিউবার আকাশসীমার আশপাশে যুক্তরাষ্ট্র নজরদারি বিমান কার্যক্রম বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে গত সপ্তাহে নতুন নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছে দেশটির ওপর।
এর প্রতিক্রিয়ায় কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, এসব পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে ‘সমষ্টিগত শাস্তি’ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
আরও পড়ুন <<>> পাকিস্তানে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত ৭
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও জ্বালানি সংকটের কারণে কিউবার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি গত কয়েক মাসে আরও দুর্বল হয়েছে। বিশেষ করে ভেনেজুয়েলা থেকে জ্বালানি সরবরাহ কমে যাওয়ায় সংকট তীব্র হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তবে একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা জানিয়েছেন, ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে তাকে বলেছেন— কিউবায় হামলার কোনো পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের নেই।
এর মধ্যেই ট্রাম্পের একটি বক্তব্য নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
তিনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্য থেকে ফিরে আসা একটি মার্কিন রণতরী কিউবার কাছাকাছি মোতায়েন করা হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক সামরিক ঘোষণা দেয়া হয়নি।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































