ছবি: সংগৃহীত
জাপানের ক্ষমতাসীন জোট সংসদীয় নির্বাচনে বড় জয় পেতে যাচ্ছে। রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারি) ভোটে এক্সিট পোল এমন ইঙ্গিত দিয়েছে। এতে প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি শক্ত অবস্থানে যাচ্ছেন। এ জয়ের ফলে কর ছাড় ও সামরিক ব্যয় বাড়ানোর কর্মসূচি বাস্তবায়ন সহজ হবে। তবে এসব পরিকল্পনা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ রয়েছে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
নিয়িগাতা প্রদেশে এলডিপিকে ভোট দেয়া শিক্ষক কাজুশিগে চো বলেন, তাকাইচির নেতৃত্বে দেশের একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশনা আছে। তিনি মনে করেন, প্রধানমন্ত্রী পুরো দেশকে এগিয়ে নিতে চান।
ব্যবসায়ী মহল এ ফলকে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছে। তবে তারা ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, তাকাইচির লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ও জোটসঙ্গী জাপান ইনোভেশন পার্টি মিলিয়ে নিম্নকক্ষের ৪৬৫ আসনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৬৬টি আসন পেতে পারে। এতে তারা সুপারমেজরিটি পাবে।
আরও পড়ুন <<>> পাকিস্তান থেকে রেল কোচ-ওয়াগন কিনতে চায় বাংলাদেশ
ভোট শেষ হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই এলডিপি এককভাবে প্রয়োজনীয় ২৩৩ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অতিক্রম করে। শীতকালীন এ বিরল সময়ে আগাম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটের দিন বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী তুষারপাত ছিল। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেই ভোট দেন ভোটাররা।
জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি গত বছরের শেষ দিকে দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব নেয়ার পর পাওয়া উচ্চ জনসমর্থনকে তিনি কাজে লাগাতে চান। তার সরাসরি ও দৃঢ় রাজনৈতিক ভঙ্গি তরুণ ভোটারদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।
ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারকে অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেন তাকাইচি। দেশে তিনি শক্ত সমর্থন গড়ে তুলেছেন। আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সমর্থন পেয়েছেন। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রতি সমর্থন জানান।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ফলাফল চীন সতর্ক দৃষ্টিতে দেখবে। কারণ এতে তাকাইচির ক্ষমতার ভিত্তি আরও দৃঢ় হলো।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































