সংগৃহীত ছবি
জাম্মু কাশ্মীরে একটি মেডিকেল কলেজ বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। কলেজে মুসলিম শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার উগ্রপন্থী হিন্দু গোষ্ঠী বিক্ষোভ শুরু করে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় আল-জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মুসলিম শিক্ষার্থী বেশি ভর্তি হওয়ায় মেডিকেল কলেজটির বন্ধ করার সিন্ধান্ত নেয় সরকার। বিক্ষোভকারীরা জানায়, হিন্দু দাতব্য প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান থেকে মুসলমানদের সুবিধা নেয়া উচিত নয়।
উগ্রপন্থী হিন্দু গোষ্ঠীর বিক্ষোভের মুখে মেডিকেল কলেজটি বন্ধ করতে বাধ্য হয় ভারত সরকার।
২০২৫ সালের নভেম্বরে কলেজটিতে পাঁচ বছর মেয়াদী মেডিসিন ব্যাচেলর (এমবিবিএস) প্রোগ্রামে ভর্তি শুরু হয় । কলেজের মোট ৫০টি আসনের বিপরীতে ৪২ জন মুসলিম শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। বাকি আট আসনের মধ্যে সাতজন হিন্দু এবং একজন শিখ ধর্মের শিক্ষার্থী ভতি হন।
এ কলেজটি পরিচালিত হতো একটি হিন্দু ধর্মীয় দাতব্য প্রতিষ্ঠান দ্বারা। কলেজটি পরিচালনার জন্য সরকারও অর্থায়ন করে থাকে।
আরও পড়ুন : ইয়েমেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী জিনদানি
ভারতের শিক্ষর্থীদের সরকারি বা বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য একটি কেন্দ্রীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা দিতে হয়। এ পরীক্ষা ফেডারেল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জাতীয় পরীক্ষা সংস্থা দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে।
প্রতি বছর দুই মিলিয়নেরও বেশি ভারতীয় শিক্ষার্থী প্রবেশিকা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। তারা আশা করেন এক লক্ষ বিশ হাজার আসনের মধ্যে একটি আসন পাবেন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা শিক্ষার্থীদের পছন্দের তালিকায় সবার উপরে থাকে পাবলিক কলেজ। তার কারণ এ কলেজগুলোতে ফি কম।
পাবলিক কলেজে ভর্তি হওয়া বেশ কঠিন। প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেশি হওয়ায় সবাই পাবলিক কলেজে ভর্তির সুযোগ পায় না। তবে ভর্তি পরীক্ষায় নির্ধারিত নম্বর তুলতে পারলে বেসরকারি কলেজে ভর্তির সুযোগ থাকে।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































