শায়া মোহসেন জিনদানি। ছবি : সংগৃহীত
ইয়েমেনের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন শায়া মোহসেন জিনদানি। সালেম বিন ব্রেইক পদত্যাগ করায় তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে তিনি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছিলেন।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
রয়টার্সের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সৌদি আরব সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের কাছে সালেম বিন ব্রেইক পদত্যাগপত্র জমা দিলে তা গ্রহণ করা হয়। কয়েক ঘণ্টা পরই নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শায়া মোহসেন জিনদানির নাম ঘোষণা করে কাউন্সিল।
ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা ২০১৪ সালে রাজধানী সানা দখল করলে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মনসুর আল হাদী সৌদি আরবে আশ্রয় নেন। হুথিদের প্রতিহত করা এবং মনসুর আল হাদীর সরকারকে পুনরায় ক্ষমতায় ফেরাতে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেনের সেনাবাহিনীকে নিয়ে একটি সামরিক জোট গঠন করা হয়।
এই জোট হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে আসছে ২০১৫ সাল থেকে। প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা এই সংঘাতে বর্তমানে ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চল হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, আর দক্ষিণাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে সৌদি সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল।
এর মধ্যেই দক্ষিণ ইয়েমেনে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী সাউদার্ন ট্রানজেশন কাউন্সিলের (এসটিসি) উত্থানে প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল চাপে পড়ে। এসটিসিকে সহযোগিতা করাকে কেন্দ্র করে সৌদি আরব ও আমিরাতের সম্পর্কেও টানাপড়েন সৃষ্টি হয়। এর জেরে দক্ষিণ ইয়েমেন থেকে আমিরাতের সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানায় রিয়াদ, যা আবুধাবি মেনে নেয়।
আরও পড়ুন : নিজের নোবেল পদক ট্রাম্পকে উপহার ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রীর
সম্প্রতি দক্ষিণ ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সামরিক অভিযান শুরু হলে প্রাণ বাঁচাতে আমিরাতে আশ্রয় নেন এসটিসির প্রেসিডেন্ট এইদারুস আল জুবাইদি। এরপর থেকে দক্ষিণ ইয়েমেনে বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা কার্যত স্তিমিত হয়ে পড়ে। দক্ষিণাঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পরই ইয়েমেনের প্রধানমন্ত্রীর পদে এই পরিবর্তন এলো।
আপন দেশ/এনএম
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































