ছবি: সংগৃহীত
হৃদস্পন্দন, ঘুমসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সূচক পর্যবেক্ষণে স্মার্টওয়াচ কার্যকর হলেও এর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা অনেকের মধ্যে স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
তাদের মতে, সমস্যা প্রযুক্তিতে নয়; বরং শরীরের নিজস্ব সংকেতের চেয়ে স্মার্টওয়াচের রিডিংকে বেশি গুরুত্ব দেয়ার প্রবণতায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দৈনন্দিন স্বাস্থ্য স্কোর যখন মানুষের আবেগ ও সিদ্ধান্ত নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে, তখন তা ক্ষতিকর হয়ে ওঠে। বিশেষ করে স্বভাবগতভাবে উদ্বিগ্ন বা অতিরিক্ত নিখুঁততা পছন্দ করেন, এমন ব্যক্তিরা এ ধরনের উদ্বেগে বেশি ভোগেন।
তাদের মতে, খারাপ ঘুমের স্কোর বা কম রিকভারি রেটিং অনেক সময় কোনো শারীরিক অসুস্থতা ছাড়াই বড় ধরনের রোগের আশঙ্কা তৈরি করে। অথচ এসব ডিভাইসের অ্যালগরিদম পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা মূল্যায়নের বদলে অনুমাননির্ভর তথ্য দেয়।
এছাড়া সাময়িক ক্লান্তি, শরীরে পানিশূন্যতা, অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ বা শরীরের নড়াচড়ার কারণেও রিডিংয়ে ভুল দেখা দিতে পারে। অনেক সময় সামান্য হৃদস্পন্দনের পরিবর্তনকে ‘উচ্চ চাপ’ হিসেবে দেখানো হলে ব্যবহারকারীরা অযথাই নিজেদের অসুস্থ মনে করেন এবং ব্যায়াম বা দৈনন্দিন কাজকর্ম বন্ধ রাখেন।
আরও পড়ুন <<>> ইনস্টাগ্রাম নিষিদ্ধ হতে পারে যেসব কারণে
চিকিৎসকদের পরামর্শ, স্মার্টওয়াচ স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে সহায়ক হলেও এটি কখনোই পেশাদার চিকিৎসার বিকল্প নয়। প্রতিদিনের স্কোরের ওঠানামা নিয়ে উদ্বিগ্ন না হয়ে দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতার দিকে নজর দেয়া উচিত।
আর ঘড়ির রিডিং দেখে নিয়মিত দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপ তৈরি হলে সে অভ্যাস পুনর্বিবেচনা করারও পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































